১৬, জুলাই, ২০১৮, সোমবার | | ৩ জ্বিলকদ ১৪৩৯

দুই অভিযানে দেড় কেজি সোনা জব্দ করেছেন গোয়েন্দারা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুটি আলাদা অভিযানে ৭৩ লাখ টাকার প্রায় দেড় কেজি সোনা জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এর মধ্যে থাইল্যান্ড থেকে আসা এক যাত্রীর মলদ্বার থেকে ১০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। জব্দ সোনার ওজন এক কেজি। এ ছাড়া চট্টগ্রাম থেকে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪৬৪ গ্রাম ওজনের দুটি সোনার বার জব্দ করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। শুল্ক গোয়েন্দা জানায়, শুক্রবার রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে (ফ্লাইট নম্বর বিজি-০৮৯) আসা এক যাত্রীর মলদ্বারে লুকানো ১০টি স্বর্ণবার জব্দ করা হয়। এসব সোনার ওজন এক কেজি। জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দার একটি দল বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান নেয়। ওই যাত্রী গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার পর শুল্ক গোয়েন্দার দলটি তাঁকে আটক করে। আটকের পরও জিজ্ঞাসাবাদে যাত্রী সোনা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে যাত্রী বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর বিশেষ কায়দায় তাঁকে ব্যায়াম করিয়ে এবং রুটি, কলা, জুস ও পানি খাইয়ে শুল্ক গোয়েন্দা দল তাঁর মলদ্বার থেকে ১০টি সোনার বার বের করে আনে। আটক যাত্রীর নাম মনকির আহম্মেদ। আটক হওয়া সোনার বারের দাম প্রায় ৫০ লাখ টাকা। ওই যাত্রীকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করে নিয়মিত মামলায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে। আজ সকালে চট্টগ্রাম থেকে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে চারটি সোনার বার আটক করা হয়। আটক করা সোনার ওজন ৪৬৪ গ্রাম। তাঁরা চট্টগ্রাম থেকে বিএস ৩২২ বিমানযোগে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। চট্টগ্রাম থেকে আসা ছয়জন যাত্রীকে তল্লাশি করে দুজনের কাছ থেকে প্যান্টের কোমরের মাঝে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় সোনার বারগুলো উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। আটক দুই যাত্রী আলাদা আলাদা লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সোনার বারগুলো তাঁদের নয়। কিছু অর্থের বিনিময়ে ওই সোনার বারগুলো দুবাই থেকে আসা এক যাত্রী চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে তাঁদের দিয়ে বহন করার জন্য দিয়েছিলেন। আটক সোনারবারের মোট দাম প্রায় ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ বিষয়ে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।