প্রথমবারের মতো সরাসরি ধান সংগ্রহের সরকারি ঘোষণা থাকলেও এখনো হাসি ফোটাতে পারেনি রংপুর অঞ্চলের কৃষকের মুখে। ৮৩ ভাগ ধান কাটা হলেও ধান সংগ্রহে খাদ্য বিভাগের কচ্ছপ গতি আর ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহে আবারও কৃষকের মাথায় হাত। এ অবস্থায় ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের তাগিদ কৃষি সংশ্লিষ্টদের।
ধানে পাক ধরার পরপরই ২৬ টাকা কেজি দরে সরকারের তা সংগ্রহের ঘোষণায় এবার আমন ও বোরোর লোকসান পূরণের স্বপ্ন দেখেছিলেন কৃষকরা। সরকারি ঘোষণার দুই সপ্তাহ পরও ধান সংগ্রহে খাদ্য বিভাগের তেমন কোনো সাড়া নেই। অন্যদিকে বাজারে চালের দাম বেশি হলেও কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষককে।
কিনতে আর বেঁচতে ঠকা কৃষককে বাঁচাতে তাদের কাছ থেকে ধান কিনে মজুদ করার পরামর্শ দেন রংপুর অঞ্চল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনিরুজ্জামান।
আর ধানের দরপতনের জন্য অটোরাইস মিলের নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন রংপুর জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী।
এ অবস্থায় কৃষক বাছাই করে ধান সংগ্রহ অভিযান নির্ভেজাল করতেই দেরি হচ্ছে বলে দাবি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদেরের।
রংপুর কৃষি অঞ্চলের পাঁচ জেলায় এবার ৬ লাখ ৮ হাজার ৮শ’ হেক্টর জমিতে ১৮ লাখ ৮ হাজার ৬শ’ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে সরকার সংগ্রহ করবে উৎপাদিত ধানের মাত্র ৩ দশমিক ৯ ভাগ।
বার্তাবাজার/এমকে