রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকান্ড নিয়ে সাংবাদিকদের ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের মুখে পড়েছেন জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার । বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় আসন্ন একাদশ সমাবর্তন নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিক ও রাজশাহী শহরের কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপাচার্য বরাবর জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকান্ড নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরে।
সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শ্যামল জনসংযোগের সমালোচনা করে উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহীতে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ অনেক প্রোগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ থেকে কোন ফোন বা দাওয়াত কার্ড পাইনি। তারপরও আমরা এটা ব্যক্তিগত জায়গা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বার্থে কাভার করতে এসেছি। কিন্তু আসন্ন ১১তম সমাবর্তনেও আমাদের টিভি জার্নালিস্টদের অনেককেই দাওয়াত কার্ড দেয়া হয়নি। তাহলে আমরা কী করব বলেন? এ ব্যাপারে আপনার সুসংগঠিত জনসংযোগ দপ্তরের প্রতি আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।
দৈনিক জনকন্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি খুর্শিদ রাজীব বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অনেক সিনিয়র সাংবাদিক এবার পাশ পায়নি। আবার পাশ পাওয়ার পরও কাগজপত্রে মিল না থাকার কারনে তাদের সমাবর্তনে এ্যালাও করা হয়নি। এ ব্যাপারে জনসংযোগ দপ্তরের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
প্রশ্নোত্তরে উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান বলেন, একটু ভুল বুঝাবুঝির কারনে এমনটি হয়েছে। এটি সংশোধনের মাধ্যমে এগুলো ঠীক করা হবে।
প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছেন ৩ হাজার ৪৩২ জন গ্র্যাজুয়েট।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস