শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের ফুটপাত জঙ্গলে ভরে থাকায় দুর্ঘটনার আশংকা

বগুড়ার শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের রনবীরবালা ঘাটপাড় থেকে শুভগাছা ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার ঘন ঝোড় জঙ্গলে ভরে গিয়ে রাস্তার দুপাশের ফুটপাত অনেকদিন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাতে বিঘ্নিত হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের।

জঙ্গল পরিস্কার করার উদ্যোগ না থাকায় প্রতিনিয়ত ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ওই রাস্তার যানবাহনসহ পায়ে চলা মানুষদের। এ ছাড়াও দ্রুতগতির যানবাহনগুলো ওভারটেকিং করার সময় জঙ্গলের জন্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে ৬ ফুট রাস্তা পথচারীদের চলাচলের জন্য ছিল। যা যানবাহন চলাচলের পাকা রাস্তা থেকে আলাদা। রনবীরবালা ঘাটপাড়ের পূর্ব পাশ থেকে শুভগাছা ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে গোজিয়ে উঠা ছোট ছোট গাছের ডালপালা হেলে এসে পাকা রাস্তার উপর পড়েছে। আবার অনেকেই পাকা রাস্তা ঘেষে লাগিয়েছে নেপিয়ার ঘাস।

যে কারনে বাধ্য হয়েই পথচারীদেরকে পাকা রাস্তার উপর দিয়ে চলতে হচ্ছে। সামনের দিক থেকে গাড়িগুলো চোখে পড়লেও পিছন দিক থেকে আসা গাড়িগুলো চোখে না পড়ায় ঘটছে ছোট বড় অনেক দুর্ঘটনা। এ ছাড়াও দ্রুতগতির যানবাহনগুলো ওভারটেকিং করার সময় জঙ্গলের জন্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যাতে করে বিভিন্ন সময় যানজটের সৃস্টি হয় ওই সড়কে। শীতের এই ঘন কুয়াশায় জীবনের ঝুকি নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে ওই সড়কের যানবাহন চালকরা।

পথচারী আমিনুল ইসলাম, বদিউজ্জামান, আশকর আলীসহ অনেকেই জানান, এই সড়কে প্রতিদিন ছোট বড় কয়েক হাজার দ্রুতগতির গাড়ি চলাচল করে। এই সড়কে পায়ে হেটে চলা খুবই মুসকিল। এভাবে চলতে থাকলে যে কোনদিন দুর্ঘটনার কবলে পরব।

এ ব্যাপারে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সার চালক আল আমিন, আশিকুর রহমান, জাহাঙ্গীর ইসলাম বলেন, রাস্তার উপর জঙ্গল এসে পড়ায় মাঝে মধ্যেই আমরা বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছি। রাস্তার মোড়ে আসলে সামনের কিছুই দেখতে না পারায় ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে অনেক সময়। দ্রুত রাস্তার দুপাশের জঙ্গল পরিস্কার না করলে আমাদের প্রানহানীর আশংকা রয়েছে।

এ ব্যাপারে শেরপুর বন বিভাগের রেঞ্জার আব্দুর রহিম বলেন, কিছু সুবিধাভোগী মানুষ রাস্তার কাঁচা অংশে নেপিয়ার ঘাস লাগানোর জন্য পাকা রাস্তায় এ ধরনের সমস্য হচ্ছে। খুব দ্রুত রাস্তার জঙ্গলসহ নেপিয়ার ঘাস কেটে পরিস্কারের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর