হাত-পায়ে ৩২ আঙুল, গ্রামবাসী ডাকে ‘ডাইনি’ বলে

জন্মের পর অঙ্গের অস্বাভাবিকতা দেখলেই নানা মানুষ নানা মন্তব্য করেন। কেউ যদি সহানুভূতি দেখায় তাহলে অন্যজন শোনায় গঞ্জনা। আসলে আমরা মানুষ হিসেবে কেন জানি মানুষের পরিচয়টা ঠিকভাবে দিতে পারি না। ভুলে যায় জ্ঞানে মানুষই শ্রেষ্ঠ। তবে পরিচয় দেই হীনমন্যতার।

সে রকমই ঘটনা ঘটেছে ভারতের ওড়িষার গঞ্জাম জেলার নায়ক কুমারীর সঙ্গে। বেচারি পায়ের পাতায় ২০টি এবং হাতে ১২টি আঙুল নিয়ে জন্মেছিলেন। চিকিৎসাশাস্ত্রে একে বলে পলিড্যাকটিলি। অতি দারিদ্র্যে, অর্থাভাবে এর চিকিৎসা করিয়ে উঠতে পারেননি ৬৩ বছরের এ বৃদ্ধা। তার জেরে গ্রামবাসীদের চোখে তিনি ডাইনি!

গ্রামবাসীদের নিত্য গঞ্জনা শুনতে শুনতে নিজের জীবনের ওপর বীতশ্রদ্ধ নায়ক কুমারীর। আক্ষেপ করে তিনি জানান, তার জন্মের জন্য তো তিনি দায়ী নন! আজন্ম তিনি এ রকমই, অস্বাভাবিক।

প্রকৃতির খেয়ালে এবং অর্থাভাবে তিনি নিজের বিকৃত শরীর স্বাভাবিক করতে কোনও ব্যবস্থাও নিতে পারেননি। তার জন্য তাকে এভাবে ডাইনি অপবাদ শুনতে হবে! তিনি আরও জানিয়েছেন, নিজেকে সবার চোখের আড়ালে রাখতে তাই বেশির ভাগ সময় গৃহবন্দি হয়ে থাকেন তিনি।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর