সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় একই রাতে দুই স্কুল ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করেছেন সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান।
এ বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছেন কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের চরবনবাড়ীয়া গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী (১২) ও রতনকান্দি ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামে নবম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহ গুলো বন্ধ করা হয়। প্রথমে ভ্রাম্যমাণ আদালত চরবনবাড়ীয়া গ্রামে সংঙ্গীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে অভিযান চালালে হলে কনের বাড়ীতে কনে কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের চরবনবাড়ীয়া গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী (১২) এর সাথে একই উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের নবম শ্রেণীর ছাত্র (১৬) এর বিয়ের আয়োজন চলছিল।
বর ও কনে উভয়ই অপ্রাপ্তবয়স্ক। পরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে বরের বাবা ও কনের মায়ের কাছ থেকে বর ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত রাত ৯ টায় রতনকান্দি ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামে অভিযান চালান। তখন কনের বাড়ীতে কনে নারান্দিয়া গ্রামের নবম শ্রেণীর ছাত্রী (১৪) এর সাথে কুড়ালিয়া গ্রামের এক যুবক (২৫) এর সাথে বিয়ের আয়োজন চলছিল। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী।
পরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে কনের বাবার কাছ থেকে কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়। বাল্যবিবাহগুলো বন্ধে সহযোগিতা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাহিমা আল আশরাফ, বাগবাটি ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম, বনবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যবৃন্দ।
বার্তা বাজার/এম.সি