ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর এলাকার রাবেয়া হাসপাতালে সিজারের পর দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্য এক শিশুর অবস্থা আশংকা জনক। তাকে শহরের আলফালাহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঝিনাইদহ ডিএসবির একটি সুত্রে এ খবর জানা গেছে।
সুত্র জানায় গত বুধবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পরমান্দপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী লাবনী, শৈলকুপার ফুলহরি কাজীপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাস সেন্টুর স্ত্রী শারমিন আক্তার ও হরিণাকুন্ডুর শাখারীদহ গ্রামের নাজমুল হকের স্ত্রী সীমা খাতুনকে সিজার করা হয়। সিজারের পরপরই সদ্য ভুমিষ্ট শিশুরা মুমুর্ষ হয়ে পড়ে। বেগতিক দেখে ক্লিনিক মালিক তাদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। কিন্তু শিশুর অভিভাবকরা প্রিন্স ও আলফালাহ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার লাবনীর সন্তান প্রিন্স হাসপাতালে ও শারমিন আক্তারের শিশু সন্তান আলফালাহ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করে।
এছাড়া হরিণাকুন্ডুর শাখারীদহ গ্রামের নাজমুল হকের স্ত্রী সীমা খাতুনের সন্তনও এখন মুমুর্ষ। তাকে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকার আলফালাহ হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রাবেয়া হাসপাতালে একই দিন অপরেশন হওয়া দুই শিশুর মৃত্যু ও এক শিশুর অবস্থা আশংকা জনক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে গনমাধ্যমকর্মী ও পুলিশের বিশেষ শাখা তৎপর হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক রানা জানান, তাদের ক্লিনিকে কোন শিশুর মৃত্যু হয়নি। তবে পুলিশের ভাষ্য রাবেয়া হাসপাতালে সিজারের পরই শিশুদের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে।
ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম শুক্রবার রাতে জানান, আমি বিএমএর একটি জরুরী মিটিংয়ে আছি। বিষয়টি নিয়ে পরে কথা বলবো।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস