সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় বাঁশে ঝুঁলিয়ে যুবককে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে সিলেট জেলা আদালতে গ্রেপ্তারদের হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশান্ত কুমার পাল।
জকিগঞ্জ থানার এই কর্মকর্তা ঘটনার আরও তথ্য উদঘাটনে গ্রেপ্তারদের প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন জানান। বিষয়টি নিশ্চিত করে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মো. আবদুন নাসের জানান, রিমান্ডের ব্যাপারে পরবর্তী তারিখে জানা যাবে। আদালত আসামিদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা করেন জকিগঞ্জের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন। মামলায় উল্লেখ করেন, গত ২৪ মার্চ তাকে চুরির অপবাদ দিয়ে কাজলশাহর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবাদুর রহমানের বাড়িতে নিয়ে ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হয়।
মামলার পর বৃহস্পতিবার রাতেই এ মামলার মূল আসামি আব্দুস সালাম মেম্বার ওরফে ফকির মস্তানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তার তিন সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন- জকিগঞ্জের কাজলশাহর ইউপির সদস্য এবাদুর রহমান, একই এলাকার আনোয়ার হোসেন ও মো. শাহজাহান।
বাঁশে ঝুলিয়ে নির্যাতন করার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, টুপি মাথায় এক ব্যক্তি বাঁশের সঙ্গে এক যুবককে হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছেন। বাড়ির উঠানে এ দৃশ্য দেখছেন বেশ কয়েকজন।
ঝুলিয়ে রাখা ওই যুবককে পায়ের তালুতে আঘাত করতে দেখা যায়। এতে নির্যাতনের শিকার ওই যুবক চিৎকার করে কাঁদছেন। কিন্তু নির্যাতনকারী ব্যক্তি কিছুতেই থামছেন না।
বার্তাবাজার/কেএ