আসন্ন সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সাভারে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চলছে অপপ্রচার

সামনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এই সম্মেলনকে সামনে রেখে পদ প্রত্যাশী ছাত্রনেতারা নিজেদেরকে ডেলিগেট, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণে নিজেদের বিগত এবং বর্তমান কর্মকান্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং অনলাইন, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় তুলে ধরছেন। আবার এর পাশাপাশি একটি মহল এসব মিডিয়ায় কোনো কোনো নেতাকর্মীর নামে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো সহ দেয়ালে পোস্টারিং করে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছেন এরকম অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকার সাভার উপজেলার সাভার ও আশুলিয়া থানাধীন ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং মহিলা যুবলীগ এর বিভিন্ন নেতা/নেত্রী এবং কর্মীদের বিরুদ্ধে এরকম অপপ্রচার সংক্রান্ত বিভিন্ন পোষ্ট এবং নিউজ দেখা গেছে। সর্বশেষ এরকম অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের আরিফুল ইসলাম আরিফ। বেশ কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কিছু অপপ্রচার চালানো হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি গত ২৭ এপ্রিল, ২০১৯ ইং তারিখে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন যার নাম্বার ২০৯০।

ছবি- বার্তা বাজার

এব্যাপারে আশুলিয়া থানায় দায়েরকৃত জিডি থেকে এবং আরিফুল ইসলাম আরিফ এর বক্তব্য থেকে জানা যায়, এই বছরের এপ্রিলের দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অবুঝ মন নামের একটি আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন যা বর্তমানে তদন্তনাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমার পারিবারিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত যা আমি আমার বুঝ হবার পর থেকে দেখে আসছি। আমি বেড়েও উঠেছি এই পরিবেশে, তাই বঙ্গবন্ধু, আওয়ামীলীগ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নতোকোত্তর কোর্সের ছাত্র আরিফ দুঃখ করে বলেন, ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে দলীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সবসময় অংশ নিয়েছি, অথচ আমাকে ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

এপ্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমার নামে একটু ফেইক ফেসবুক আইডি খুলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি চাই উল্লেখ করে একটি পোস্টার এর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। অথচ সেই আইডির পোস্টটি ২০১৪ সালের এবং খালেদা জিয়াকে এ্যারেস্ট করা হয় ২০১৮ সালে। এটা ফটোশপের মাধক্সমে বানানো হয়েছে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

এই ব্যাপারে কথা হয় ঢাকা জেলা (উত্তর) ছাত্রলীগ নেয়া শাহীন চৌধুরী দ্বীপ এর সাথে। তিনি জানান, আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে ইতিবাচক প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি চলছে নানা অপপ্রচার যা খুবই দুঃখজনক। রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবেই, তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ফিল্ডে নিজের রাজনৈতিক কর্মকান্ড দিয়েই মোকাবিলা করা উচিত বলে মনে করি।

ছাত্রলীগের একজন নিষ্ঠাবান কর্মী হিসেবেই আরিফুল ইসলাম আরিফকে জানি। গত সংসদ নির্বাচনের সময় থেকেই সে আমার সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিরলস কাজ করেছে। তার বিরুদ্ধে সংগঠন বিরোধী কোনো কার্যকলাপের কোনো প্রমাণ পাইনি আর ছাত্রদলের সাথে সে জড়িত এধরণের অপপ্রচার সম্পূর্ণ মিথ্যা। যারা এরকম অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর