ভিয়েতনামের বিভিন্ন শহরে মোটরবাইক নিয়ে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ। দেশটির বেশিরভাগ মানুষও মোটরবাইকেই যাতায়াত করে। তবে এখানে বাইক চালাতে আপনার দরকার হবে না কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা রেজিস্ট্রেশন পেপারস। এমনকি হেলমেট না পরলেও কিছু বলবে না এখানকার ট্রাফিক পুলিশ।
বিগত কয়েক দিন ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় এবং পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান হা লং শহর ঘুরে এমনই চিত্রই দেখা যায়। পর্যটকেরা এখানে খুব সহজেই ভাড়া নিতে পারেন মোটরবাইক। পর্যটকদের কাছে বাইক ভাড়া দেওয়া স্থানীয়দের জন্য রীতিমতো আয়ের একটি বড় খাতও। অনেকে পেশা হিসেবেই নিয়েছেন এটিকে।
ভিয়েতনামের সুপ্রশস্ত সড়ক, ফাঁকা রাস্তা এবং আশপাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, এসব কিছু লোভ জাগাবে যেকোনো বাইকারের মাঝেই। বাইকারদের সেই শখ পূরণ করবে এখানকার পুলিশের ইংরেজি অজ্ঞতা। অবশ্য বলা ভালো, এ দেশের অধিকাংশ নাগরিকেরই ইংরেজি ভাষায় দখল নেই।
বলা হয়ে থাকে ভিয়েতনামে গিয়েও যদি হা লং বে না দেখা হয় তবে ভিয়েতনাম যাওয়াটাই বৃথা। আর আমার মতো একটি ক্ষুদ্র ব্যক্তির মনে হয়েছে যদি কেউ হ্যা লং বে না দেখে থাকে সে এখনও পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জায়গা দেখা থেকে বঞ্চিত। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ের দক্ষিণপূর্বে ১৮০ কিমি দূরে অবস্থিত ‘হ্যা লং বে।
৫০০ মিলিয়ন বছর ধরে সমুদ্র্র্রপৃষ্ঠ থেকে ১৬০ থেকে ৩৩০ ফুট উচ্চতায় গড়ে উঠা বিভিন্ন আকার ও আকৃতির সামুদ্রিক লাইমস্টোনের প্রায় ২০০০ টি দ্বীপ এবং প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত স্বচ্ছ এমারেল্ড সবুজ পানির এই হ্যা লং বে । এই অতি মনোরম স্থান ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এবং প্রাকৃতিক সপ্তার্শ্চর্য প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল।
বার্তা বাজার/এম.সি