‘ফাঁসির দড়ি গলায় নিয়ে গাড়ি চালাবো না’

পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হলেও রাজপথ নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা। কর্মবিরতির নামে যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করছেন তারা। অনেক যাত্রীই টার্মিনালে এসে বাস না পেয়ে দুর্ভোগে পড়েন। টানা চার দিন চলছে এই অচলাবস্থা। শ্রমিকরা বলছেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন পরিবর্তন না হলে গাড়ি চালাবেন না তারা। তবে সায়েদাবাদ টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বুধবার রাতে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও বৃহস্পতিবার সকালে মহাখালী টার্মিনাল থেকে দুয়েকটি বাদে ছেড়ে যায়নি কোনো বাস। চালক শ্রমিকরা বলছেন ধর্মঘট নয় কর্ম বিরতি পালন করছেন না। তবে কেউ গাড়ি চালাতে চাইলে কোনো বাধা নেই।

একই চিত্র গাবতলীতেও। সারি সারি বাস অলস পড়ে আছে স্ট্যান্ডে। চালক শ্রমিকরা অনড়, নতুন আইনে পরিবর্তন না আসলে গাড়ি নিয়ে নামবেন না সড়কে। সেই সঙ্গে বিআরটিএ কার্যালয়ে হয়রানি বন্ধের দাবি তাদের। লাইসেন্স নবায়ন, গাড়ির ফিটনেস ইত্যাদি নিয়ে আপত্তি না থাকলেও মূলত জরিমানা কমানোর দাবিই মুখ্য।

ড্রাইভারদের একজন বলেন, ‘ফাঁসির দড়ি গলায় নিয়ে গাড়ি চালাবো না। একট শ্রমিক ৫ লাখ জরিমানা দিয়ে গাড়ি চালাবে না।’

আর এই ফাঁদে পড়ে যাত্রী ভোগান্তি চরমে। অনেকে অপেক্ষা করছেন দীর্ঘ সময়। জানতে পারছেন না গাড়ি ছাড়বে কি না।

এদিকে সায়েদাবাদ টার্মিনালের চিত্র ভিন্ন। সেখানে গাড়ি চলছে।

বুধবারের বৈঠকে ধর্মঘট প্র্ত্যাহারের ঘোষণার বিষয়ে দৃষ্টি আর্কষণ করলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা বলছেন বৈঠক ছিলো ট্রাক লরি কা্ভাড ভ্যান মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে কোনো আলাপ হয়নি।

তবে রাজাধানী নগর পরিবহন সেবা প্রায় স্বাভাবিক রয়েছে।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর