একসঙ্গে ৪৭ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন সম্রাটের সহযোগী খোরশেদ

ভৈরবের সাবেক খাদ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে করা ঘুষ-দুর্নীতির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকার খাদ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) এ তদন্ত প্রতিবেদন খাদ্য অধিদপ্তরে পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ময়মনসিংহের খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জাহাঙ্গীর আলম। অভিযুক্ত খোরশেদ আলম সরকারি চাকরি করেও ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট ওরফে ক্যাসিনো সম্রাটের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। খোরশেদ আলম বর্তমানে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত।

এর আগে ভৈরবে খাদ্য পরিদর্শক থাকাকালে দুজন রাইস মিল মালিকের কাছ থেকে ৪৭ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার ঘটনায় খাদ্যমন্ত্রী ও দুদক চেয়ারম্যানের কাছে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে লিখিত দেয়া হয়।

গত ১ নভেম্বর ভৈরবের মা অটো রাইস মিল মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগে জানান, ২০১৭ সালে বোরো মৌসুমে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করতে গিয়ে ভৈরব খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম প্রতি টন চালে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

মিল মালিক চাল সরবরাহ দিতে গেলে চালের মান ভালো নয় বলে কায়দা করে এই ঘুষ আদায় করেন ওই কর্মকর্তা। মিল মালিক তার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, ঘুষের টাকা খোরশেদ আলম তার একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে নিয়েছেন এবং ঘুষের ২৫ লাখ টাকা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেঘ রৌদ্দ নামের একটি হিসেবে সোনালী ব্যাংকে জমা দিয়েছেন।

বার্তাবাজার/কেএ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর