বিএনপি দুর্ভোগ এবং গুজবের রাজনীতি করে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপি দুর্ভোগ এবং গুজবের রাজনীতি করে। একই সাথে বিএনপি সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে নোয়াাখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়কক ও সেতু পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন বিএনপি কোন পেয়াজের ইস্যু না পেয়ে একার সর্বশেষ সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাথে সড়ক পরিকহন নেতাদের বৈঠক আছে। আশা করি সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

মন্ত্রী বুধবার নোয়াখালী শহীদ ভুল স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত নোয়াথালী জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মলেনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন।

তিনি দলের উদ্দেশ্যে বলেন, শৃঙ্খলার সাথে থাকলে যেকোনো মুহূর্তে তারা সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে যারা শৃংখলার বাইরে কাজ করবে তারা সকল কার্যক্রম থেকে বহিস্কৃত হবে। বর্তমান কমিটি হাত ধরে নোয়াখালী আওয়ামীগ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এর আগে মন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগে যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী. পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামিম,আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতি সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, সাবেক মন্ত্রী মির্জা আজমসহ অরো অনেকে।

অনুষ্ঠােেন সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এএই্চ খায়রুল আনাম সেলিম চৌধুরী এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারন সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি।

সম্মেলন শেষে ওবায়দুল কাদের আগামী তিন বছরের জন্য পুরনায় নোয়াাখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খায়রুন আনাম সেলিম ও সাধারন সম্পাদক হিসেব একরামুল করিম চৌধুরীরর নাম ঘোষনা করেন।

এদিকে সকালে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে সম্মেলনের ব্যানার, ফেন্টুন ও বিলবোর্ড ভাংচুর করা হয়। এ সময় ককটেল বিষ্ফোরণ ও গুলির শব্দে শহরে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৫৩ জনকে নোয়াখালী জেনালের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সকাল সাড়ে আটটার দিকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খাঁন সোহেলের জজকোট সড়ক থেকে অনুসারীরা মিছিল নিয়ে শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছিল। একই সময় জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয় থেকে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সদর-সুবর্ণচর আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীও সম্মেলস্থলে যাচ্ছিলেন।

নোয়াখালী টাউন হলের মোড়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি হলে প্রথমে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও পরে সংঘর্ষ বেধে যায়। এক পর্যায়ে ককটেল বিষ্ফোরণ ও গুলির শব্দে শহরে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খাঁন সোহেল অভিযোগ করেন, “বিনাস্কানীতে এমপি ও তার লোকজন আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে।

এমপি একরামুল করিম চৌধুরী পাল্ট অভিযোগক করেন, “শান্তিপূর্ণ সম্মেলনকে বানচাল করার উদ্দেশ্যে তারা শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। পুলিশ সুপার মো: আলমগীর হোসেন বলেন,“পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় রয়েছে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর