যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, বরিশালের এমপি পংকজ দেবনাথ, ছাত্রলীগের শোভন-রাব্বানিসহ আরো ৪৫ জনের সম্পদের অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এনিয়ে চলমান শুদ্ধি অভিযানে শীর্ষ পর্যায়ের রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাসহ ১১৮ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে দুদক।
চলমান শুদ্ধি অভিযানে দুর্নীতির অভিযোগ আসা ব্যক্তির তালিকায় প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম। কিছু দিন আগেও যাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে বা আইনের উর্ধ্বে মনে হতো- এমন অনেকের নাম আসছে তালিকায়।
প্রাথমিকভাবে ৭৩ জনের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করেছিল দুদক। সম্প্রতি তালিকায় যোগ হয়েছে আরো ৪৫ জনের নাম। যাদের মধ্যে শেখ যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, বরিশালের এমপি পংকজ নাথ, নারায়ণগঞ্জের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী (শোভন), সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগ গোলাম রাব্বানী ও নাজমুল আলম সিদ্দিকী, গণপূর্তের উপসহকারী প্রকৌশলী আলী আকবর সরদারের নাম। তালিকায় আছে আরো এক ডজন যুবলীগ নেতার নাম।
দুর্নীতি দমনে সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে দুদককে মাঠ পর্যায়ে আরো সততা আর দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
১১৮ জনের তালিকায় জিকে শামীম, খালেদ, সম্রাটসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা করেছে দুদক।
বার্তাবাজার/কেএ