যশোরের পাইকারি বাজারে প্রায় পেয়াজ শূন্য হয়ে পড়েছে।পিয়াজের অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির কারণে কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।সেই সাথে বাজারে আসা মিশরে পেয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন তারা।
এখানকার খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন পঁচা ফেলে দিয়ে তারা যে দামে বিক্রি করছেন তাদের পুজির আসল টাকাই থাকছে না।আর ক্রেতাদের দাবি প্রতিদিনই বাড়ছে পেয়াজের দাম ফলে অল্প করে পেয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যশোরের বড় বাজারে ৫০জনের মত পাইকারি ব্যবসায়ী রয়েছেন।
ক সপ্তাহের ব্যবধানে পেয়াজর মূল্য হু হু করে বৃদ্ধির কারণে অনেকেই পেয়াজ কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন।যে দুই একজনের ঘরে পেয়াজ আছে তাই বিক্রি হচ্ছে। শনিবার(১৬ ই নভেম্বর)হাটে প্রতি মন সাড়ে ৮হাজার টাকার উপরে বিক্রি হয়েছে ফলে তারা নতুন করে পেয়াজ আনছেন না।এছাড়া বাজারে মিশরের পেয়াজ থাকলেও তার বিক্রি নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।তাদের দাবি স্বাদ না থাকায় ক্রেতারা এ পেয়াজ কিনছেন না।
পাইকারি বাজারে পেয়াজ ১৯০টা থেকে ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে তা মিলছে ২৪০ টাকা থেকে ২৬০ টাকা দরে।খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি প্রতিবস্তায় পঁচা পেয়াজ মিলছে ৩ থেকে ৪ কেজি।যে কারণে বাড়তি দাম নিয়েও লোকসান ঠেকানো যাচ্ছে না।আর ক্রেতাদের দাবি পেয়াজের মূল্যের উর্দ্বগতির কারণে অল্প করে পেয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।আর খেটে খাওয়া মানুষ কেনার সামর্থ্য হারিয়েছেন।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস