‘পেঁয়াজ সংকটের পিছনে কারা খুঁজে বের করা হবে’

পেঁয়াজ সংকটের নেপথ্যে কারা খুঁজে বের করা হবে, পাশাপাশি পরিস্থিতি শিগগিরই স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এমন আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, অসৎ পথে অর্থ উপার্যন করে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সৎপথে নুন ভাত খাওয়া বেশি মর্যাদাসম্পন্ন।
যারা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি করবে তাদের ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শনিবার বেলা ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত অংশ নেয়ার পর জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পেঁয়াজ সংকটের নেপথ্যে কারা খুঁজে বের করা হবে। পাশাপাশি পরিস্থিতি শিগগিরই স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে-এমন আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

“কেউ যদি এখন হোর্ডিং করে দাম বাড়িয়ে দুই পয়সা কামাতে চান, তাদেরও এখন চিন্তা করতে হবে যে পেঁয়াজ তো পচেও যাবে। এখন পচা পেঁয়াজও শুকানোর চেষ্টা হচ্ছে। তো মানুষকে এই কষ্ট দেয়াটা কেন? এভাবে কারা এর পিছনে আছে সেটাও আমাদের দেখতে হবে।”

এছাড়া চাঁদাবাজদের ছাড় দেয়া হবে না জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, দেশকে মাদক সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে । মাদক- চাঁদাবাজির টাকায় বিলাসবহুল জীবন তা কখনই মেনে নেয়া হবে না।

“কেন দুর্নীতি করে, চুরি করে টাকা বানাতে হবে? আর ওই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, অসদুপায়ে অর্থ উপার্জন করে সেটা দিয়ে আবার বিলাস-ব্যাসনে জীবনযাপন করা, ফুটানি-ফাটানি করা, এটা কখনও এদেশের মানুষ বরদাস্ত করবে না। অসৎ পথে উপার্জিত অর্থে বিরিয়ানী খাওয়ার থেকে সৎ পথে নুন-ভাত খাওয়া অনেক মর্যাদার, অনেক সম্মানের, অনেক ভালো।”

যারা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের মদদ দিয়েছে তারা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে সেদিকে বিশেষ নজর দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী।

“সেই জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে খালেদা জিয়া পর্যন্ত। তাদের এই স্বভাবটা কোনদিন যাবে না। ওই খুনি, দুর্নীতিবাজ, মানি লন্ডারিংয়ে ব্যস্ত এরা যেন আর কোনোদিন এই দেশের ক্ষমতায় যেতে না পারে বাংলাদেশের জনগণকে এই ব্যাপারে সচেতন করতে হবে।”

সেচ্ছাসেবকলীগের প্রতিষ্ঠার পর এটি সংগঠনির তৃতীয় কাউন্সিল। প্রধানমন্ত্রী সংগঠনটির সব নেতা কর্মীকে দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে কাজ করার আহবান জানান।

প্রধান অতিথি বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তৃণমূল মানুষের জীবন মান উন্নয়ণের দিকে লক্ষ্য রেখে, জাতির পিতার মর্যাদা ধরে রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর