৬ জেলায় ৩৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝড়ের তাণ্ডবে বন্ধ থাকায় বিপাকে শিক্ষার্থীরা।
বরিশালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ৬ জেলার ৩৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চরম বিপাকে পরেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। চলতি মাসের বার্ষিক পরীক্ষা এবং আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রত্যন্ত এলাকার নিরঞ্জন বৈরাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে পাশের হার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ। ভালো ফলাফলের কারণে উপজেলা জুড়েই সুনাম রয়েছে স্কুলটির। তবে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে স্কুলটি বিধ্বস্ত হওয়ায় চরম বিপাকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বন্ধ রয়েছে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাস।
ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক পুলিন বিহারী জয়ধর বলেন, ‘আসছে ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবের পর এখন ক্লাস নেয়া খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও জানান বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক।
সরকারি তথ্যে, বরিশালে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ভোলায় ৪২টি, পিরোজপুরে ১৬৩টি, বরগুনায় ৮৬টি এবং ঝালকাঠিতে ৫টিসহ মোট ৩৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বুলবুলের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, চলতি মাসেই বার্ষিক পরীক্ষা আর আসছে ফেব্রুয়ারিতে মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় শিগগিরই বিদ্যালয় সংস্কারের দাবি শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা জানান, ঝড়ের কারণে বিদ্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শিক্ষকরা ঠিকভাবে ক্লাস নিতে পারছেন না এতে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি