অধ্যক্ষকে পানিতে ফেলা সেই ৮ আসামি লাপাত্তা

রাজশাহী পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ ফরিদউদ্দিনকে টেনে হিঁচড়ে পুকুরে ফেলা মামলার এজাহারভুক্ত আট আসামির কাউকেই এখন গ্রেফতার করেতে পরেনি পুলিশ। ঘটনার ১১ দিন পর হয়ে গেলেও সবাই রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এতে আতঙ্কে রয়েছেন অধ্যক্ষের পরিবার।

অধ্যক্ষ ফরিদউদ্দিন বলেন, আদো তারা ধরা পড়বে কিনা, না ধরা পড়লে তারা আবার এসে জেকে বসতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকে যায়।’

এদিকে, রাজশাহী মহানগর পলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, মোট ১৩ আসামিকে কয়েক দফায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

গত শনিবার (২ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইনস্টিটিউটের মসজিদ থেকে যোহরের নাম শেষে করে অফিসে ফিরছিলেন অধ্যক্ষ ফরিদউদ্দিন। এ সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা ইনস্টিটিউটের অধ্যয়নরত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী অধ্যক্ষকে পুকুরে ফেলে দেয়। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কালাম হোসেন সৌরভ।

অধ্যক্ষ ফরিদউদ্দিন বলেন, নিয়ম বহির্ভুতভাবে সুবিধা না দেওয়া তারা আমার সাথে এমনটা করেছে।

এর আগে, রাজশাহী পলিটেকনিকে অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিতের ঘটনার পরে উঠে আসতে শুরু করে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ। বের হয়ে আসে ইনস্টিটিউটের ১১১৯ নম্বর কক্ষকে ছাত্রলীগ বানিয়েছিল ‘টর্চার সেল’। ওই কক্ষ থেকে রড, লাঠি ও লোহার পাইপ উদ্ধার করে পুলিশ।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর