ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের সংঘর্ষে মুক্তিযোদ্ধাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।রবিবার রাতে উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন তাঁরা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শামীম মল্লিকের মধ্যে বিরোধ চলছিল।রবিবার বিকালে আশরাফ উদ্দিন তাঁরার সমর্থক চঞ্চলের ছেলে অতুলকে শামীম মল্লিকের সমর্থকেরা মারধর করে।
এ ঘটনায় দুইপক্ষ কৃষ্ণপুর বাজারে মীমাংসার জন্য একত্রিত হলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে শামীমের সমর্থকেরা উত্তেজিত হয়ে আবারও হামলা চালায়।এক পর্যায়ে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন।এদের মধ্যে গুরুতর আহত আশরাফ আলী তাঁরার সমর্থক মুক্তিযোদ্ধা হাফিজার শিকদারকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ছাড়া শামীম মল্লিকের সমর্থক আহত হিরু শেখকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. শামিম মল্লিক বার্তা বাজারকে বলেন, ‘ছেলেপেলেরা ঝগড়া করেছে।এনিয়ে সংঘর্ষ বেঁধেছিল।আমরা স্থানীয়রা বসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছি।’
এ ব্যাপারে আশরাফ আলী তাঁরা বার্তা বাজারকে বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে শামিম মল্লিকের সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে অধিপত্যে বিস্তারের চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবেই শামীমের সমর্থকরা তার লোকজনের ওপর হামলা ও ভাঙচুর করেছে।’
আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি।আভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস