ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর আঘাতে আনার পর রবিবার থেকে শুরু হওয়া লন্ডভন্ড সাতক্ষীরার শ্যামনগর উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে সেনাবাহিনী।
সাতক্ষীরা ত্রাণ ও দুর্যোগ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এমএম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বুলবুলের তান্ডবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্যামনগরের গাবুরা, রমজাননগর, কৈখালী ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন। এখানে বেশ কয়েকটি নদীর বেঁড়ীবাধ ফাটল দেখা দিয়েছে।
জেলায় দু’লাখ ২৬ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ছ। ৩২ হাজার কাঁচা ও পাকা ঘর বাড়ী আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৬ হাজার ঘরবাড়ী। এছাড়া ফসলের ক্ষেত ও চিংড়ী ঘের ব্যাপক হারে ক্ষতি হয়েছে। খুব শীঘ্রই এর পরিসংখ্যান জানা যাবে। রবিবার থেকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজ নিজ বাসায় ফিরে গেছে দুর্গত মানুষজন।
দুর্যোগ পরবর্তী সময় রবিবার দুপুর থেকে নৌবাহিনী, কোস্টগাট, ফায়ার সাভিস, সিপিপি, স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরাতা শুরু করেছে। রাস্তার দু’পাশ থেকে ভেঙ্গে পড়া গাছ সরোনার কাজ করছে তারা। বিতরণ করছে ত্রাণ। ভেঙ্গে পড়া ঘরবাড়ি মেরামত শুরুর কাজ ও করছে তারা।
প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঘুর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলবর্তী এলাকায়। এর প্রভাব সারা জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও শ্যামনগরের গাবুরা, মুন্সিগঞ্জ, কৈখালি ও রমজাননগর সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়।
বার্তাবাজার/এমকে