ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে ভেঙে পড়া গাছ সরিয়ে নিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনের জন্য সেনাবাহিনীসহ বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, ও নৌবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।
ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্র ছেড়ে মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে যাওয়া শুরু করেছেন। তবে, উপকুলীয় এলাকার বেঁড়িবাধ গুলো রয়েছে এখনও ঝুকিপূর্ণ। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে এসব বেঁড়িবাধ ভেঙে বির্স্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন উপকুলীয় এলাকার মানুস। বর্তমানে তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত উপকুলীয় এলাকার মানুষকে সহায়তার জন্য নগদ ১৭ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, বুলবুলের প্রভাবে উপকুলীয় এলাকা শ্যামনগর, কালিগঞ্জ ও আশাশুনির ১৭ হাজার ঘরবাড়ি অধিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া উপকুলীয় এলাকার ৫ হাজার ৭১৯ হেক্টর চিংড়ি ঘের ও ২৭ হাজার হেক্টর জমির ফসল ইতিমধ্যে নষ্ট হয়েছে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস