এসব এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছে মেডিক্যাল টিম।
শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। এ নিয়ে উপকূলীয় জেলাগুলোতে জোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এসব এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছে মেডিক্যাল টিম।
পটুয়খালীতে সভা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার ৪০৩টি সাইক্লোন সেন্টার। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।
ভোলায় জরুরি সভা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। জেলা প্রশাসক জানান, ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছ ৯২ টি মেডিকেল টিম। প্রস্তুত ১৩ হাজার সেচ্ছাসেবী।
বাগেরহাটে বাতিল করা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি। প্রস্তুত করা হয়েছে ২৩৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র।
পিরোজপুরের ২২২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য থাকবে আলাদা মেডিক্যাল টিম। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।
সাতক্ষীরায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছে ৮৮টি মেডিক্যাল টিম। সাধারণ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য করা হচ্ছে মাইকিং।
বরিশালে খোলা হয়েছে একটি কন্ট্রোলরুম। ২৩২ টি সাইক্লোল সেল্টার কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।
ঝালকাঠিতে প্রস্তুতি সভা করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কমিটি। ৭৪ টি সাইক্লোন সেল্টার, রেডক্রিসেন্ট ও এনজিওর তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক এবং ৫টি কর্ন্টোল রুম খোলা হয়েছে।
খুলনায় জরুরী সভা করে দুর্যোগ পরবর্তী চিকিৎসাসেবার জন্য মেডিকেল টিম গঠনসহ জেলায় ৯ উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি ৩৪৯টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে।
নোয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৩৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র ও সাড়ে ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম, বরগুনা, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগ মোকাবিলায় নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বন্দরে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি