পাকুন্দিয়ায় রিমা ধর্ষনের পর হত্যা মামলা পিবিআইয়ের তদন্ত শরু

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমা(১৪) পাকুন্দিয়া উপজেলার গান্দোরচরে নানার বাড়ীতে মায়ের সাথে অসুস্থ নানিকে দেখতে গিয়ে ১৭ জুলাই রাতে প্রেমিক পিয়াসের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষনের পর হত্যার অভিযোগে পাকুন্দিয়া থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কিশোরগঞ্জ কে দেওয়ার পর আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) থেকে মামলার তদন্ত শুরু করেছে।

গত ২৬ আগস্ট দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিমার স্বজনরা আকুল আবেদন জানান, এই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামিদের গ্রেফতারে থনা পুলিশের পরিবর্তে পিবিআই অথবা র‍্যাবের কাছে দায়িত্বভার দেওয়া হোক। পরিবারের অাবেদনের কারণে ঢাকা পুলিশ হেড কোয়ার্টার পিবিআই এর কাছে মামলার তদন্তভার হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাব ইন্সপেক্টর গোলাম হোসেন বলেন, রিমা গণধর্ষন ও হত্যা মামলা পুলিশের উর্ধতন নির্দেশে পিবিআই এ তদন্ত শুরু করেছে। মামলার তদন্ত কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছি। ঘটনার রহস্য উৎঘাটন করে প্রতিবেদন দিতে পারিব বলে অাশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

রিমা গণধর্ষন ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার মা অাঙ্গুরা বেগম ১৯ জুলাই পাকুন্দিয়া থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এর মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া (২০) এবং রুবেল মিয়ার ছেলে পিয়াস (১৮)

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে যারা গ্রেফতার হয়নি তারা হলেন একই গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে রুমান মিয়া এবং কুফল উদ্দিনের ছেলে রাজু মিয়া (১৮) সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন।

প্রসঙ্গত, নিহত স্মৃতি আক্তার রিমা হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা ও হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী ছিলেন। গত১৭ জুলাই রাতে রিমার প্রেমিক পিয়াস মোবাইলে ডেকে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে। ১৮ জুলাই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার গান্দোয়ারচর নানাবাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের একটি বরই গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় পাকুন্দিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৮। মামলার আসামিরা হলো- জাহিদ, পিয়াস, রুমান, রাজু, সহ অজ্ঞাতনামা৫/ ৬ জন।

ওইদিনই বিকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে স্মৃতি আক্তার রিমার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্তে গনধর্ষণের সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছিলেন।পাকুন্দিয়ায় রিমা ধর্ষনের পর হত্যা মামলা পিবিআইয়ের তদন্ত শরু

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমা(১৪) পাকুন্দিয়া উপজেলার গান্দোরচরে নানার বাড়ীতে মায়ের সাথে অসুস্থ নানিকে দেখতে গিয়ে ১৭ জুলাই রাতে প্রেমিক পিয়াসের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষনের পর হত্যার অভিযোগে পাকুন্দিয়া থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কিশোরগঞ্জ কে দেওয়ার পর আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) থেকে মামলার তদন্ত শুরু করেছে।

গত ২৬ আগস্ট দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিমার স্বজনরা আকুল আবেদন জানান, এই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামিদের গ্রেফতারে থানা পুলিশের পরিবর্তে পিবিআই অথবা র‍্যাবের কাছে দায়িত্বভার দেওয়া হোক। পরিবারের অাবেদনের কারণে ঢাকা পুলিশ হেড কোয়ার্টার পিবিআই এর কাছে মামলার তদন্তভার হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাব ইন্সপেক্টর গোলাম হোসেন বলেন, রিমা গণধর্ষন ও হত্যা মামলা পুলিশের উর্ধতন নির্দেশে পিবিআই এ তদন্ত শুরু করেছে। মামলার তদন্ত কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছি। ঘটনার রহস্য উৎঘাটন করে প্রতিবেদন দিতে পারিব বলে অাশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

রিমা গণধর্ষন ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার মা অাঙ্গুরা বেগম ১৯ জুলাই পাকুন্দিয়া থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এর মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া (২০) এবং রুবেল মিয়ার ছেলে পিয়াস (১৮)

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে যারা গ্রেফতার হয়নি তারা হলেন একই গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে রুমান মিয়া এবং কুফল উদ্দিনের ছেলে রাজু মিয়া (১৮) সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন।

প্রসঙ্গত, নিহত স্মৃতি আক্তার রিমা হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা ও হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী ছিলেন। গত১৭ জুলাই রাতে রিমার প্রেমিক পিয়াস মোবাইলে ডেকে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে। ১৮ জুলাই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার গান্দোয়ারচর নানাবাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের একটি বরই গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় পাকুন্দিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৮। মামলার আসামিরা হলো- জাহিদ, পিয়াস, রুমান, রাজু, সহ অজ্ঞাতনামা৫/ ৬ জন।

ওইদিনই বিকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে স্মৃতি আক্তার রিমার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্তে গনধর্ষণের সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছিলেন।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর