টস হেরে ব্যাটিংয়ে আসেন বাংলাদেশের দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান লিটন দাস এবং নাঈম শেখ।সাবধানী শুরু করেন দুই টাইগার ওপেনার।
দ্বিতীয় ওভারের প্রথম তিন বলে টানা তিনটি চারের বাউন্ডারি হাঁকান নাঈম শেখ। যার ফলে দারুন শুরু পায় টাইগাররা। কিন্তু হটাৎ খেই হারিয়ে পেলেন লিটন। চাহালের বলে রান আউটের শিকার হন লিটন।
দলীয় ৬০ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ২৯ রান নিয়ে আউট হন লিটন। লিটনের বিদায়ের পর মাঠে আসেন বামহাতি ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। নাঈমকে সাথে নিয়ে দারুন শুরু করেন সৌম্য। দেখে শুনে ব্যাটিং করে রানের চাকাকে সচল রাখেন এই দুই ব্যাটসম্যান।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিদায় নেন নাঈম শেখ। দলীয় ৮৩ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৩৬ রান নিয়ে ওয়াসিংটন সুন্দরের বলে আউট হন নাঈম। নাঈমের বিদায়ের পর মাঠে আসেন মুশফিকুর রাহিম। কিন্তু ভরসার প্রতীক হয় বেশিক্ষন মাঠে থাকতে পারেননি মুশফিক।
দলীয় ৯৭ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৪ রান নিয়ে চাহালের বলে আউট হন মুশফিক। মুশফিকের বিদায়ে কিছুটা চাপে পড়ে টাইগাররা।মুশফিকের পর একই পথে হাটেন সৌম্য। ৩০ রান নিয়ে চাহালের বলে আউট হন সৌম্য। তাই বলাই যায় মুশফিক-সৌম্যের আউটের ফলে কিছুটা চাপে পড়ে টাইগাররা।
মুশফিক-সৌম্যের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন কাপ্তান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং তরুণ তুর্কি আফিফ হোসাইন দ্রুব।দেখে শুনে ব্যাটিং করে যান রিয়াদ-আফিফ।দারুন কিছুর আভাস দিচ্ছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।কিন্তু রিয়াদকে বেশিক্ষন সঙ্গ দিতে পারেননি আফিফ। দলীয় ১২৮ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৬ রান নিয়ে খলিলের বলে আউট হন আফিফ।
আফিফের বিদায়ের পর মাঠে আসেন আরেক ডানহাতি ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আফিফ আউট হলেও নিজ ছন্দে খেলে যান রিয়াদ। রীতিমতো ভারতীয় বোলারদের শাষন করেন রিয়াদ। কিন্তু ইনিংসের শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে পারেননি রিয়াদ। দলীয় ১৪২ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৩০ রান নিয়ে দীপকের বলে আউট হন রিয়াদ।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৩ রান। যার ফলে ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৫৪ রান। ৫ রান নিয়ে আমিনুল এবং ৭ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক।
বাংলাদেশের একাদশ- লিটন দাস, সৌম্য সরকার, নাঈম শেখ, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক সৈকত, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শফিউল ইসলাম, আল-আমিন ও মুস্তাফিজুর রহমান।
বার্তাবাজার/কেএ