২৫, মে, ২০১৮, শুক্রবার | | ১০ রমজান ১৪৩৯

ছাত্রীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাত; এবার স্বামীর পক্ষ নিয়ে যা বললেন স্ত্রী

আপডেট: মে ১২, ২০১৮

ছাত্রীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাত; এবার স্বামীর পক্ষ নিয়ে যা বললেন স্ত্রী

মাদারীপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সঠিক তথ্য তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের আকুতি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক স্কুল শিক্ষিকা। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আকুতি জানান স্কুল শিক্ষিকা সোমা আক্তার।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমার স্বামী মাদারীপুরের শিবচরের উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রোকনুজ্জমানের কোচিং বাণিজ্য, গাইড বাণিজ্য, ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্তি টাকা উত্তোলণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ম্যানেজিং কমিটিসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তার সাথে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। এই দ্বন্দ্বের কারণেই আমার স্বামী রবিউল ইসলামকে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। এর কারণেই স্কুলের এক ছাত্রীকে দিয়ে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, আমার স্বামী ওই ছাত্রীকে টানা তিন বছর ধর্ষণ করলে ওই ছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং একাধিকবার গর্ভপাত ঘটানো হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যদি ওই ছাত্রীর গর্ভপাত ঘটানো হয় তাহলে ডাক্তারি পরীক্ষায় অবশ্যই প্রমাণ পাওয়া যাবে। আমি শতভাগ নিশ্চিত হয়েই বলছি, আমার স্বামী ওই ঘটনা ঘটনায়নি। ডাক্তারি পরীক্ষায় যদি গর্ভপাতের বিষয় প্রমাণ হয় তাহলে আমি সব বিচার মাথা পেতে নেব। আর যদি গর্ভপাতের বিষয় প্রমাণ করতে না পারে তাহলে আমার এবং আমার স্বামীর মান-সম্মান যারা ক্ষুণ্ণ করেছে তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ- আমাদের সম্মান ফিরিয়ে দিন।

এসময় তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে আরও বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে একই ভাবে একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা বলা হয়েছে। যদি এই অভিযোগ সত্য হয় তাহলে এর তথ্য প্রমাণ কই? এছাড়াও আমার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে আমার স্বামী নাকি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছে। আমার স্বামীর স্থায়ী ঠিকানা রাজবাড়ি জেলায়। শিবচরে সে ভাড়া বাসায় থাকে। কিভাবে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হুমকি দেয়। এটা হাস্যকর।

এসময় ওই স্কুল শিক্ষিকা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার স্বামীর সাথে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক। বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় আমরা এখন লোকলজ্জায় সমাজে মুখ দেখাতে পারি না। আমি এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি।