কৌশলে হত্যা মামলার আসামিকে প্রবাস থেকে দেশে এনে গ্রেফতার করল পিবিআই

ফেনীর দাগনভূঞা পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল উদ্দিন হত্যা মামলার এজহার নামীয় ৮নং আসামী মনির আহম্মদকে কাতার থেকে কৌশলে এনে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মনির আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ফেনীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ খানের আদালতে হত্যাকান্ডের বিবরণ দেন মনির।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী আকন্দ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মনির আহম্মদের মাইক্রোবাস ভাড়া করে হত্যাকান্ডের বাকী আসামীরা। তারা ফখরুলকে ডেকে এনে গাড়িতে হত্যা করে। পরে তার লাশ ফেলে দিতে বলে। হত্যাকারীদের কথা মতো কাজ না করলে মনিরকেও হত্যা করার হুমকি দেয়। মনির তাদের ভয়ে লাশ ফেলে চলে যায়। পরে সে বাঁচতে কাতার চলে যায়। মামলাটি দাগনভূঞা থানা থেকে পিবিআইকে হস্তান্তর করার পর পিবিআই তদন্ত করে মনিরের মুঠোফোনের নাম্বার সংগ্রহ করে তার সাথে যোগযোগ করে। পরে কাতার থেকে কৌশলে সোমবার দেশে এনে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। মনির মাইক্রোবাস চালক। সে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত নয়। পিবিআইয়ের আশ্বাসে মনির দেশে আসে এবং ধরা দেয়।

২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের ব্রিজের পাশ থেকে ফখরুল উদ্দিনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে দাগনভূঞা থানা পুলিশ। এ মামলায় দাগনভূঞা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাইফুল ইসলামসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ ও ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় মামলা দিয়েছে নিহতের ভাই নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও মোবাইল, দুটি মোটর সাইকেল ও হাইস গাড়ি উদ্ধার করেছে দাগনভূঞা থানা পুলিশ। এ মামলায় পুলিশ-পিবিআই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকীরা পলাতক।

বার্তাবাজার/ডব্লিওএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর