প্রফেসর ড. শামছুল আরেফিন গোপালগঞ্জের একজন কৃতি সন্তান। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তাঁর জন্ম।
পিতা মরহুম শেখ আব্দুল মান্নান, পেশায় ম্যাজিস্ট্রেট ও সিএসপি অফিসার ছিলেন। মাতা রাবেয়া খাতুন, গৃহিনী। প্রফেসর ড.শামসুল আরেফিন ছিলেন পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছাত্র ছিলেন। বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে স্বপরিবারে তাদেরকে বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করতে হয়েছে। তিনি ১৯৮৫ সালে খুলনা রোটারী স্কুল হতে এস.এস.সি (বাণিজ্য বিভাগ)পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং ১৯৮৭ সালে খুলনা ব্রজলাল (বি.এল) কলেজ হতে এইচ.এস.সি (বাণিজ্য বিভাগ) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
একই বছরে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জুনিয়র কমিশন পদে নির্বাচিত হন। তবে তিনি সেনাবাহিনীর চাকুরিতে যোগদান না করে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের নিমিত্তে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
পরবর্তীতে, ১৯৯৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি.কম – পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং ১৯৯৬ সালের এম.কম -পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তথা সমগ্র দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভালো ফলাফলের জন্য তাকে ডিন’স এ্যাওয়ার্ড স্বর্ণপদক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য তাকে সনদ ও স্বর্ণপদক প্রদান করেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল জলিল ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক স্যার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় প্রফেসর ড.শামছুল আরেফিন -কে সনদ ও স্বর্ণপদক প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রফেসর পদে নিয়োজিত থেকে অসংখ্য জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে চলেছেন।
গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের তালিকায় একাধিক প্রার্থীর মধ্যে গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান প্রফেসর ড.শামছুল আরেফিন স্যারের নামও রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস