যশোর শহরের লোন অফিস পাড়ার এক বাড়িতে কিশোরীকে গণধর্ষনের দায়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় ৪ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ধর্ষকরা হলেন,যশোর শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে পুস্প,শহরের ৬২ লোন অফিস পাড়ার আবুল কালাম আজাদ ওরফে আবুল কালামের ছেলে ভাগ্নে হৃদয়,অজ্ঞাতনামা ঠিকার আব্দুর রশিদের ছেলে ভাগ্নে মামুন ও গোলপাতা মসজিদ (ভাসমান) ন্যাটা মামুন।কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।
কিশোরীর মাতা বাদি হয়ে রোববার(৩ই নভেম্বর) রাতে যশোর কোতয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন,তার দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে একটি বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেনীতে লেখা পড়া করে। গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার মেয়ের বান্ধবী মুসকান তার মেয়েকে ফোন করে তাদের বাড়িতে আসতে বলে। উক্ত ফোন পেয়ে কিশোরী তার বান্ধবী মুসকানের বাড়ির উদ্দেশ্যে বাড়ি হতে বের হয়।
পথে পুষ্প ও ভাগ্নে হৃদয়ের সাথে তার পরিচয়ের সূত্র ধরে বিভিন্ন ভাবে ফুসলিয়ে শহরের লোন অফিসপাড়া সামসুন নেছা ওরফে শেলীর ভাড়াটিয়া ভাগ্নে হৃদয়ের ঘরে রাত সাড়ে ৯ টায় উক্ত কিশোরীতে তুলে। সেখানে পুষ্প,ভাগ্নে হৃদয়,ভাগ্নে মামুন ও ন্যাটা মামুন পালাক্রমে কিশোরীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষন করে। পরের দিন ২ নভেম্বর সকাল ১০ টায় কিশোরীকে পুষ্প ও ভাগ্নে হৃদয় যশোর পৌর পার্কে নিয়ে যায়। সেখান থেকে শহরের দড়াটানা ভৈরব হোটেলে খাবারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে।হোটেলে আসার পর কিশোরী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয় লোকজন অজ্ঞান অবস্থায় কিশোরীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করে দেয়।
বিকেলে কিশোরীর মাতা খবর পেয়ে হাসপাতালে মেয়েকে দেখতে এসে মেয়ের মুখ থেকে ধর্ষনের বিষয়গুলো শুনে।রোববার কোতয়ালি মডেল থানায় কিশোরীকে সাথে তার মেয়ে হাজির হয়ে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে কমবেশী ৫জনকে গ্রেফতার করে।পরে তাদের মুক্তি দেয়।কিশোরীর মাতার অভিযোগ নামা নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। সোমবার কিশোরীর ডাক্তারীর পরীক্ষা ও ২২ ধারা জবানবন্দি গ্রহন করেন।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ধর্ষনের সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস