মোস্তাফিজ রাকিব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: রাত পোহালেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভর্তি পরীক্ষা। ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইবিতে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ১ম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল ৪নভেম্বর চলবে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। আর এ উপলক্ষে গ্রহণ করা হয়েছে নানা পদক্ষেপ।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে। পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে বিশেষ নজরদারিসহ ভর্তিচ্ছু ও অভিভাবকদের আবাসিকহলসমূহে থাকার সুযোগ রয়েছে। জালিয়াতিতে জড়িতদের তৎক্ষণাৎ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন।
ইবি’র এস্টেট অফিস সূত্রে জানা যায়,বেশ ক’দিন ধরে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ইবি’র বিভিন্ন রাস্তার গর্ত ভরাট, বিভিন্ন ভবনে চুনকাম,অভিভাবকদের বিশ্রামের জন্য অভিভাবক ছাউনি এছাড়া ক্যাম্পাস পাশ্ববর্তী এলাকায় অস্থায়ী গণশৌচাগার নির্মান করা হয়েছে
গত কয়েকদিন ক্যাম্পাসের প্রায় সবজায়গাই সাজ-গোজে ব্যস্ত ছিলো কর্মচারীরা।
প্রতিবার ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে ক্যাম্পাসে ঘষা মাজা এবং কিছু কিছু স্থানে সংস্কারও করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এরপর আর খোঁজ খবর মেলে না তাদের। এমন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে ইবি’র ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার আগে ক্যাম্পাসকে রঙিন করে সাজানোর চেষ্টা করে প্রশাসন। কিন্তু এরপরে আর তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ে না। ভর্তি পরীক্ষার পরে এসব কাজ তদারকি করলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরো মনরোম হতো।
এদিকে সার্বিক বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রসিদ আসকারী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একটি জাতীয় পরীক্ষা। তাই পূর্বের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সকল বিষয় সর্বোচ্চ সাবধানতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
নিরাপত্তার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন প্রায় ৩০০ শতাধিক নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে র্যাব, এনএসআই, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস