মো: মিজানুর রহমান, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের কংসপুরা গোডাউন বাজার ও লতব্দী ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে এই তিন কিলোমিটার সড়ক। শুধুমাত্র এই পাঁচ মিনিটের রাস্তার বেহালদশার কারণে কংসপুরা গোডাউন বাজার ও লতব্দী ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতের এই সড়কটি জনসাধারণের কোন উপকারেই আসছেনা এখন। মেঘ বৃষ্টি মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি বাদল হলেই কাঁচা এই রাস্তাটি জনগণের চলাচলের জন্য একেবারে অযোগ্য হয়ে পরে ফলে স্থানীয় আশেপাশের জনগণ সহ এই রাস্তায় চলাফেরা করা মানষের দুর্ভোগ উঠে যায় চরমে।
স্থানীয় এলাকার জনগণের সাথে কথা বললে তারা জানান, এই রাস্তার শুরু থেকে শেষের দিকের রাস্তায় ইট এবং পীচডালাই করা হয়েছে কিন্ত কোন অদৃশ্য দুশমনের কারণে যে এই সড়কের মাঝামাঝি মাত্র পাঁচ মিনিটের রাস্তাটির কোন কাজ হয়নি সেটা আজও জানলাম না। রাস্তায় চলাফেরা করা লোকদের সাথে কথা হলে মোঃ আমিন নামের একজন বলেন, অইযে আরেকটু গেলেই স্থানীয় লতব্দী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের বাড়ি অথচ এই রাস্তার মাঝখানে পাঁচ মিনিটের সড়ক কেন বেহাল সেটার উত্তর আমরাও জানিনা। পাঁচ মিনিটের খানাখন্দে ভরপুর রাস্তা ঘেঁষেই স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য তাহেরুন নেছার বাড়ি, লতব্দী ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিয়ার হোসেনের বাড়িও এই রাস্তাটির কাছাকাছি, উভয় ইউপি সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেলো, কিছুটা গাফিলতির কারণে আর কিছুটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের অবহেলা আর ব্যক্তিগত আক্রোশে নাকি এই পাঁচ মিনিটের বেহাল রাস্তার অবস্থা যার মাসুল দিতে হচ্ছে এই রাস্তায় চলাচল করা যানবাহন ও জনগণের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখায় যায় এ যেন বাতির নিচে অন্ধকার, আগাগোড়ায় পাকা রাস্তা মাঝখানে মাটির বড় বড় গর্ত যানবাহন চলাচলের একেবারেই অযোগ্য। রিকশা, অটোরিকশা, ভ্যান, নসিমন ট্রাকটার ও মাহেন্দ্রার অত্যাচারে পাঁচ মিনিটের রাস্তার অবস্থা অসম্ভব খারাপ। তবে আশার কথা জানালেন উপজেলা প্রকৌশলী শোয়াইব বিন আজাদ বলেন, জিডিপি ৩ এর আওতায় আর মাত্র ১০-১২ দিনের মধ্যেই রাস্তার কাজ শুরু হবে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস