নিউইয়র্কের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার পরিবার ‘ট্রাভেল পারমিট’র (পাসপোর্টের বিকল্প হিসেবে ভ্রমণের সাময়িক অনুমতিপত্র) জন্য আবেদন করলে সেখানে থাকা বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।
রোববার (৩ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে ফেসবুকে এক বার্তায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। শাহরিয়ার আলম তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, নিউইয়র্কে সাদেক হোসেন খোকার পরিবার ‘ট্রাভেল পারমিটেরর জন্য আবেদন করলে আমাদের মিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি এবং তার স্ত্রীর যেহেতু পাসপোর্ট নেই সেহেতু আন্তর্জাতিকভাবে অন্য দেশ থেকে নিজের দেশে ফেরার এটাই একমাত্র ব্যবস্থা। আমি আমাদের নিউইয়র্কের কনস্যুলেটে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি।
তিনি এবং তার স্ত্রীর নামে মামলা আছে এবং গ্রেফতারি পরোয়ানাও থাকতে পারে (আমি নিশ্চিত নই) কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা বলে যা জেনেছি, তাদের আগমনের পর বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের সহায়তা কামনা করেছেন। বলেন, আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন এ অবস্থায় দেশে ফিরতে পারেন।
আইসিইউতে নেয়ার আগে খোকা স্বদেশে ফেরার আকুতি জানান। কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
বিএনপির এ নেতা ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য ২০১৪ সালের ১৪ মে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক যান। তারপর থেকে সেখানেই রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি খোকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ম্যানহাটনের স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টারে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। গত ক’দিন ধরে খোকা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বলে জানান তার পরিবার পরিজনরা।
বার্তাবাজার/এমকে