মুহাম্মাদ হুমায়ুন চৌধুরী, ব্যুরো চীফ চট্টগ্রাম: ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চট্টগ্রামের টাইগারপাস এলাকা হতে ১১ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২ নভেম্বরের) ভোর চারটার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান।
গ্রেফতারকৃত ১১ জন ডাকাত হলেন- মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (২৪), মোহাম্মদ রাজু (১৯), ইসরাফিল হোসেন আলম (২২), মোহাম্মদ আকবর হোসেন (২২), মোহাম্মদ সেলিম (২৮), মো. টিটু (২৫), মোহামম্মদ ইয়াসিন (২৩), মোহাম্মদ ফজর আলী (৩৫), সুমন (২৫), রহিম প্রকাশ হৃদয় (২২) ও মোহাম্মদ পলাশ হোসেন (২৫)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরি দেশীয় এলজি, ২ টি কার্তুজ, ২ টি কালো রংয়ের টিপ ছোরা, একটি লোহার তৈরি ছেনি, ৩ টি কাঠের বাটযুক্ত কিরিচ, একটি সাদা রংয়ের পিকআপ, একটি সিলভার রংয়ের প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।
এস এম মেহেদী হাসান জানান, বিভিন্ন জেলায় কিছুদিন পর পর ঘুরে ঘুরে বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও গুদামঘরে ডাকাতি সহ নিয়মিতভাবে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল ছিনতাই করতো। সেই সাথে যাত্রীদের কাছ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র যেমনঃ পাসপোর্ট, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট, ভোটা আইডি কার্ড সহ নানান গুরুত্বপূর্ণ কাগজ জব্দ করে চাঁদাও আদায় করত।
মুহাম্মাদ হুমায়ুন চৌধুরী, ব্যুরো চীফ চট্টগ্রাম, ০২ নভেম্বর ২০১৯ঃ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চট্টগ্রামের টাইগারপাস ১১ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২ নভেম্বরের) ভোর চারটার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান।
গ্রেফতারকৃত ১১ জন ডাকাত হলেন- মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (২৪), মোহাম্মদ রাজু (১৯), ইসরাফিল হোসেন আলম (২২), মোহাম্মদ আকবর হোসেন (২২), মোহাম্মদ সেলিম (২৮), মো. টিটু (২৫), মোহামম্মদ ইয়াসিন (২৩), মোহাম্মদ ফজর আলী (৩৫), সুমন (২৫), রহিম প্রকাশ হৃদয় (২২) ও মোহাম্মদ পলাশ হোসেন (২৫)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরি দেশীয় এলজি, ২ টি কার্তুজ, ২ টি কালো রংয়ের টিপ ছোরা, একটি লোহার তৈরি ছেনি, ৩ টি কাঠের বাটযুক্ত কিরিচ, একটি সাদা রংয়ের পিকআপ, একটি সিলভার রংয়ের প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।
এস এম মেহেদী হাসান জানান, “বিভিন্ন জেলায় কিছুদিন পর পর ঘুরে ঘুরে বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও গুদামঘরে ডাকাতি সহ নিয়মিতভাবে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল ছিনতাই করতো। সেই সাথে যাত্রীদের কাছ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র যেমনঃ পাসপোর্ট, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট, ভোটা আইডি কার্ড সহ নানান গুরুত্বপূর্ণ কাগজ জব্দ করে চাঁদাও আদায় করত।”
বার্তা বাজার/এম.সি