বরাবরই ব্যতিক্রমতার স্বাক্ষর রেখে খুব অল্পদিনেই সাধারণ মানুষের নজর কেড়ে নেওয়াসহ তাদের একান্ত আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সফল কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তিতু।
গদবাধা দলীয় রাজনৈতিক দায়িত্বের বাইরেও সমাজের জন্য ব্যক্তিগতভাবে কিছু করার দায়বদ্ধতা থেকে এই তড়িৎকর্মা আওয়ামী লীগ নেতা সার্বক্ষণিক নজর রেখে চলেছেন তার দায়িত্বাধীন পুরো এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনায়।
ইতিমধ্যে ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি বাল্যবিবাহ রোধ, আলোচিত অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, এলাকার মাদক সমস্যা নির্মূলে ভুমিকা পালনসহ নিজের কর্তব্যনিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি। ব্যতিক্রমী এই কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতার এ সকল উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে সব মহলেই।
তবে সম্প্রতি একটি কুচক্রীমহল মিরপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ১২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের বর্তমান কার্যকরী কমিটির এক নম্বর সদস্য ইকবাল হোসেন তিতু।
সময়ের কণ্ঠস্বরের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিতু বলেন, কোনো প্রকার মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের ভয়ে আমি ভীত নই। সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ও পারিবারিকভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আমাকে এবং আমার পরিবারকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের এক জঘন্য খেলায় মেতে উঠেছে। ন্যাক্কার জনক এই ঘটনায় আমি বিরক্ত হলেও ভীত নই।
তিতু বলেন, বৃহত্তর মিরপুরে যারা সত্যিকারের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির ধারক-বাহক তারা আমাকে, আমার পরিবারকে চিনে এবং জানে। কিন্তু যারা দলীয় স্বার্থের চাইতে ব্যক্তিস্বার্থের রাজনীতি করে আজ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে উঠেছে। তবে তাতেই তারা সন্তুষ্ট নয়। মিরপুরের আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে কলুষিত করতে মেতে উঠেছে গভীর ষড়যন্ত্র ও ঘৃন্য অপপ্রচারের খেলায়।
“সেই সুখের পায়রাদের উদ্দ্যেশ্যে শুধুমাত্র একটি কথাই বলতে চাই; এখনো সময় আছে ভালো হয়ে যান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাদেরকে ক্ষমা করবেন না।”
তিনি বলেন, আমি ইকবাল হোসেন তিতু আওয়ামী লীগের রাজনীতিতিতে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোনো সুখের পায়রা নই। আমার প্রতিটি ধমনিতে প্রতিটি শিরায় শিরায় আওয়ামী লীগের রক্ত বহমান। আওয়ামী লীগের রক্তেই আমার জন্ম।
গোটা বিশ্বকে কাপিয়ে দেওয়া বিএনপি-জামায়াতের কু-কীর্তির কালো অধ্যায় গুলোর উল্লেখযোগ্য স্বাক্ষী, জাতির ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায় ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আমি মর্মান্তিক আহত অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়াকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সহোযোগিতা ও মিরপুরবাসীর দোয়ায় ভারতের পিয়ারলেস হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর মহান রাব্বুল আলামীনের রহমতে সুস্থ হয়ে ফিরেছি। বিএনপি জামাতের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ২০০৬ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করার কারনে মিলাদ মাহ্ফিল শেষে আমার সহোদর ও প্রানপ্রিয় ছোট ভাই হাজী মনির উদ্দিন মনুকে বাসার সামনেই নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করে জামায়াত বিএনপির দোসররা। মিরপুরবাসীর কলিজার সেই ক্ষত আজও শুকায়নি।
আ’লীগের এই নেতা আর বলেন, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে সফল রাষ্ট্রনায়ক দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে মিরপুর থানা আ’লীগকে সুংসংগঠিত করতে দীর্ঘকাল রাজনৈতিক লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে আসছি। আমার রাজনৈতিক নেতা এবং আমার অভিভাবক দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আস্থাভাজন ঢাকা-১৪ আসনের মাননীয় সাংসদ, আধুনিক মিরপুর গড়ার কারিগর ও মিরপুরের গণমানুষের নেতা আসলামুল হক আসলাম ভাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করতে তাঁর নির্দেশকে জীবনের পাথেয় মনে করে রাজনৈতিক লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছি। দীর্ঘ দিনের মাঠের রাজনীতি, ত্যাগ তিতিক্ষা সহ্য করার পর তারই সুপারিশে বাংলাদেশ আওয়ামী আ’লীগের কেন্দ্রিয় কমিটি আমাকে মিরপুর থানা আ’লীগের কার্যকরী কমিটির এক নম্বর সদস্যের গুরুদায়িত্ব অর্পণ করলে অদ্যাবধি আসলামুল হক আসলাম ভাইয়ের দিকনির্দেশনা মোতাবেক আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে চলছি।
তিতু আরো বলেন, আমি দল ধ্বংসকারী অপশক্তিকে হুশিয়ার করে বলতে চাই, যত মিথ্যাচার আর অপরাজনীতি করুক না কেন আমাকে বঙ্গবন্ধু এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ এবং আসলামুল হক আসলাম ভাইয়ের দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নের পথ থেকে এক চুলও পিছু হটাতে পারবেনা।
“যতদিন বাচবো বঙ্গবন্ধু ও দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে বুকে লালন করেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই। পাশাপাশি তাদের বলতে চাই আপনারা এই মিথ্যা ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রের মত ন্যাক্কারজনক বিষয়াবলি থেকে বেড়িয়ে আসুন। এতেই মিরপুরবাসীর রাজনৈতিক অঙ্গনে মঙ্গল বয়ে আনবে” যোগ করেন এই আ’লীগ নেতা।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি