আইসিসি কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়া মানে ক্রিকেটাঙ্গনের সঙ্গে একশ হাত দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। নিষেধাজ্ঞায় থাকা ক্রিকেটাররা নিষিদ্ধ থাকেন সবকিছু থেকেই। ম্যাচ খেলা তো বহুদূর, অনুশীলন করার ক্ষেত্রেও আছে বিধি-নিষেধ। তবে বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে একেবারেই পর করে দিচ্ছে না বিসিবি। নিষেধাজ্ঞার মাঝেই তাকে অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। তবে দলের সঙ্গে অবশ্য ট্রেনিং করতে পারবেন না সাকিব। সেইসঙ্গে বাদ পড়তে হবে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে।
বিসিবি পরিচালক ও বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘এটা আসলে বিসিবির ব্যাপার। ট্রেনিংয়ের সুযোগ আমরা অবশ্যই দিব। তবে সে কোনো দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারবে না, এখানে আইসিসির নিষেধ আছে। কিন্তু আলাদা করে ট্রেনিং করার সুযোগ সে পাবে। আমরা চাই সে নিজেকে প্রস্তত রাখুক। এক বছর পর যখন নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে, তখন সে যেন মাঠে নামতে প্রস্তুত থাকে।’
এর আগে মোহাম্মদ আশরাফুল নিষিদ্ধ হলেও তাকে অনুশীলনের কোনো সুযোগ দেয়নি বিসিবি। তবে আশরাফুল ও সাকিবের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আশরাফুল ম্যাচ ফিক্সিংয়ে পুরোপুরিভাবে যুক্ত ছিল। সে দেশের মান ডুবিয়েছে। অন্যদিকে সাকিব ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। তার অপরাধ, এই ঘটনাটি আইসিসিকে জানায়নি। তাই সাকিবের প্রতি বিসিবির সহানুভূতি রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রী চুক্তি থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা বেশি। শীর্ষ ক্যাটাগরিতে থাকায় মাসিক ৪ লাখ টাকা বেতন পান সাকিব। এই টাকাটা হয়তো তার আর পাওয়া হচ্ছে না।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি