এবছর পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির মধ্যেই ৩ লাখ ৭৩ হাজার শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। কিছু এলাকায় শিশু বয়সেই কাজে ঢুকে পড়ে অনেকে, তাই এ অবস্থা বলে মনে করছেন গবেষকরা। এদের বিষয়ে তথ্য নিয়ে আগামী বছর থেকে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
২০১৬ সালে পিইসি পরীক্ষায় পাস করে ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। এবছর সেই ব্যাচের শিক্ষার্থীরাই জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।
২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এ পরীক্ষায় বসতে যাচ্ছে ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী। যা পিইসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের থেকে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ জন কম। অর্থাৎ এই শিক্ষার্থীরা জেএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত আসার আগেই ঝরে পড়েছে।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, এদের অনেকে কারিগরি প্রতিষ্ঠানে চলে গেছে। বাকিদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হবে।
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার পর যাতে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয় এজন্য প্রচারণা চালানোর কথা বলছে মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, এটি রোধে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। দশম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত শুরুর তাগিদ দেন সংশ্লিষ্টরা।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি