ঘরহারা কালিয়া ও লোহাগড়া উপজেলার প্রায় ৮ শতাধিক পরিবার। ভাঙন আতঙ্কে অনেকেই ছেড়েছেন গ্রাম।
প্রতি বছরই নড়াইলে ভাঙনে মধূমতির গর্ভে বিলীন হয় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার জায়গা। এবার এক মাস ধরে ভাঙছে মধুমতি। নদীর তীব্র ভাঙনে নড়াইলের কালিয়া ও লোহাগড়া প্রায় আটশ পরিবার ঘরহারা। বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর দিন চলছে তাদের। ভাঙন আতঙ্কে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে দিচ্ছেন। অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বারবার জানালেও সাড়া মেলেনি।
বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করা পরিবারগুলো ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করছে। তারা বলেন ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে অভিযোগ করেও লাভ হয়নি।
এদিকে, ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস জানিয়েছেন নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর শাহনেওয়াজ তালুকদার।
আর, নড়াইলের জেলা প্রশাসক আঞ্জুমান আরা জানান, ভাঙনকবলিতদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।
তবে, শুধু প্রতিশ্রুতিই নয় ভাঙন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি