সাইদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গায় শ্লীলতাহানীর শিকার হয়ে আমিমা খাতুন ঐশী নামের এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।
নিহত ঐশী চুয়াডাঙ্গা ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ও ঝিনাইদহ জেলার শীতলি গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুনের মেয়ে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ অভিযুক্ত ফরহাদকে আটক করে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ফরহাদকে আদালতে প্রেরণ করা হলে বিজ্ঞ আদালত আসামি ফরহাদ হোসেনকে কারাগারে প্রেরণ করে।
আটককৃত আসামি ফরহাদ সদর উপজেলার হানুরবাড়াদী গ্রামের আশানুর রহমানের ছেলে ও শহরের স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শহরের আরামপাড়ার দুলাভাইয়ের বাসায় থেকে চুয়াডাঙ্গায় পড়াশোনা করতো ঐশী। গত শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে দুলাভাই মুজাহিদ ও বড় বোন তমা ঐশীকে বাড়িতে রেখে কেনাকাঁটা করতে বাজারে যান।
এসময় ফরহাদ বাড়িতে ঢুকে ঐশীকে কু-প্রস্তাব দেয় এবং শ্লীলতাহানী করে। এক পর্যায়ে ঐশীর চিৎকারে রাস্তার পাশে থাকা নাইট গার্ড এসে ফরহাদকে হাতেনাতে আটক করে। এসময় ফরহাদ কৌশলে পালিয়ে যায়।
শ্লীলতাহানী করায় লোকলজ্জার ভয়ে ঐশী রাতেই কীটনাশক ঔষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে পরিবারের সদস্য তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঐশীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্কুলছাত্রী ঐশী মারা যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ বলেন নিহত স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানীর অভিযুক্ত আসামি ফরহাদকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহত স্কুল ছাত্রীর দুলাভাই বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করে। সোমবার দুপুরে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে সোমবার বিকেলে পুলিশ অভিযুক্ত আসামি ফরহাদকে আদলতে প্রেরণ করার পর আদালত আসামি ফরহাদকে কারাগারে প্রেরণ করে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস