আজমানুর রহমান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: পরীক্ষারর্থীদের ফরম ফিলাপের টাকা আদায়ের সময় অন্য কোনো ফি আদায় করা যাবে না। সরকারি এমন নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করেই রসিদ প্রদান ছাড়াই গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় চলছেই।
শুধু তাই নয় প্রবেশপত্র বাবদ ও টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। পরীক্ষার ফরম পূরণের ফির সঙ্গে বিশেষ ক্লাস/কোচিংসহ বিভিন্ন খাত দেখিয়ে কৌশলে টাকা আদায়ের এক রকম বাণিজ্য চলছে। জানা গেছে, পরীক্ষার ফরম ফিলাপের নামে অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রসিদ স্কুল কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে না।
স্কুল কতৃপক্ষের এমন ব্যবহারে সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের সামনে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের এ আন্দোলন বন্ধ করতে স্কুল কতৃপক্ষ ২ শত টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে আন্দোলন শিথিল করে।
এ ব্যাপারে পরীক্ষার্থী মামুন ভুইয়ার বাবা মাফিজ ভুইয়া স্কুলে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বোর্ড ও দুদকের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বাড়তি টাকা আদায় চলছে।
পরীক্ষার্থী তারিনা রহমান বলেন, আমাদের স্কুলের সহকারি শিক্ষক গোলাম রাসুল ভুইয়া স্বজন প্রীতি করেন, ওনার পছন্দের ছাএ/ছ্ত্রাীদের জন্য বেশী সুযোগ সুবিধা থাকে। আর স্কুলে কোচিং না করলে তাদের সাথে খারাপ ব্যাবহার করে। স্কুলের ভিতরে স্যারের বাবার কিছু সম্পতি আছে বলে ওনি যা খুশি ব্যবহার করেন।
এ সম্পর্কে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অহিদুজ্জামান ভুইয়া বলেন, বোর্ড নির্ধারিত ফিসের বাইরে কিছু খরচ আছে সে জন্য কিছু টাকা নিতে হয়। তিনি আরো বলেন, ফরম ফিলাপ শেষ হওয়ার পরে টাকা আদায়ের রসিদ দেয়া হয় তবে কেউ কেউ না ও পেতে পারে। তবে তার স্কুলে বোর্ডের নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত কোনো টাকা আদায় করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
গোপালগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খাইরুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, বর্তমানে আমি ঢাকাতে আছি এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনানুক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তাবাজার/এম.কে