লাহোরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও পরাজয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। টানা দুই হারে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারাল বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল।
প্রথম ম্যাচে কাছে গিয়েও পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে টাইগ্রেসদের রানের পাহাড় টপকাতে হতো। এবারও লড়াই করেছিল মেয়েরা। কিন্তু এবারও লক্ষ্যের কাছে গিয়ে পথ ভুলে বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তানের মেয়েরা ৩ উইকেটে ১৬৭ রান তোলে। জবাবে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করতে পারে ১৫২ রান। ১৫ রানের হারে হাত থেকে বেরিয়ে যায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই পাকিস্তানের মেয়েরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট উপহার দেন। প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪১ রান। পঞ্চম ওভারে বাংলাদেশকে সাফল্য দেন লতা মন্ডল। সিদ্রা আমিনকে ফেরান ১৯ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে কাভেরিয়া খান ও বিসমাহ মারুফের ৯৫ রানের জুটিতে বড় পুঁজির পথে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ১৭তম ওভারে এ জুটি ভাঙেন পেসার জাহানারা আলম। ৪৪ বলে ৫২ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে জাহানারার বলে লতার হাতে ক্যাচ দেন জাভেরিয়া। ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি।
তবে বাংলাদেশকে বেশি ভুগিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ। ৫০ বলে ৭০ রান করে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। ৯ চার ও ১ ছক্কায় মাঠ মাতিয়ে রাখেন অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান। মাঝে জাহানারার দ্বিতীয় শিকার হন ইরাম ভাজেদ। জাহানারা ২৭ রানে নেন ২ উইকেট। বাকিরা সবাই ছিলেন খরুচে। ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়েছেন লেগ স্পিনার রুমানা আহমেদ।
১৬৮ রানের জবাবে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। ২৫ রান তুলতেই হারায় ৩ উইকেট। সেখান থেকে বাংলাদেশের ইনিংসের হাল ধরেন সানজিদা ও নিগার। দুজনের ৫৭ রানের জুটিতে বাংলাদেশ প্রতিরোধ পায়। ৩২ বলে ৪৫ রান করে এরপর আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন সানজিদা। সেখান থেকে ফারজানা ১৯ বলে ৩০ রান করে শেষ চেষ্টা করেছিলেন। তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। শেষ দিকে ৫ বলে ১৮ রান তুলে পরাজয়ের ব্যবধান কমান জাহানারা। পাকিস্তানের সেরা বোলার সাদিকা ইকবাল। ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট।
ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন বিসমাহ মারুফ।
বুধবার একই মাঠে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। দুই দলের দুটি ওয়ানডে হবে ২ ও ৪ নভেম্বর।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি