গভীর রাতে একা প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে এসেছিল ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুখ চেপে ধরে স্কুলছাত্রীকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায় ২ বন্ধু। প্রায় ৬ ঘন্টা এক বন্ধুর পাহারায় স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে আরেক বন্ধু। ভোরবেলা স্কুলছাত্রীকে মুমুর্ষ অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে পালিয়ে যায়।
এমন ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার রুহিয়া থানা এলাকার কানিকশালগাঁও গ্রামে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বাবা ধর্ষক ও সহযোগীর বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে রুহিয়া থানায়।
অভিযুক্ত ধর্ষক সদর উপজেলার রুহিয়া থানার কানিকশালগাঁও গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৮) ও তার সহযোগি একই গ্রামের ইন্তাজুল হকের ছেলে রাশেদ (১৮)।
মামলার বরাতে রুহিয়া থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় জানান, মেয়েটির বাবা দিনমজুর। স্কুলছাত্রীটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বিকালবেলা তার পরিবারের লোকজন স্কুলছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসলে মেয়েটির মুখে ঘটনা শোনার পর ধর্ষক ও তার সহযোগি বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে, আজ সকালে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষকের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বিষয়টি জোরপূর্বক ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় মোড়লরা। এতে মেয়েটি আরও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে মেয়েটির পরিবার অভিযোগ করেছেন। মেয়েটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রুহিয়া থানায় রয়েছে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস