কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
রোববার (২৭ অক্টোবর) দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান জানান, দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য প্রমাণ পেলেই মামলা হবে। দুর্নীতির অভিযোগ আছে এমন কেউ বাদ যাবে না।
এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি, যে নামই আপনারা বলেন না কেন আমরা কাউকে বাদ দিবো না। যারাই অপরাধী, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হবে। অনুসন্ধান করার পর সত্য প্রতিষ্ঠিত হয় সেক্ষেত্রে তো মামলা হবেই।
এর আগে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক করা মামলায় বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আবারো ৭ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
দুপুরে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে হাজির করা হয় বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি আট লাখ ৯৯ হাজার টাকা ও খালেদের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় আসামিদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
পরে ২২ অক্টোবর দুদকের করা মামলায় জি কে শামীমকে গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে আসামিপক্ষের জামিন বাতিল করে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে ১২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়ার বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।
এছাড়া তিন কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগের মামলার পর এবার ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন সরকারের সম্পত্তি ক্রোক করেছে দুদক।
বার্তাবাজার/এম.কে