আজ বুধবার দুপুর ১:২২, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৩রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৭শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর কান্না

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : মার্চ ১১, ২০১৭ , ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : জাতীয়,প্রধান খবর
পোস্টটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ২৫ মার্চ রাতে এবং যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বতার সচিত্র প্রতিবেদন দেখাতে গিয়ে বার বার চোখ মুছেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। ১৮ মিনিট চলা এসব চিত্র দেখে সংসদ সদস্যরা নিরব হয়ে যান।

শনিবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হাওয়া সংসদের বৈঠকে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব প্রত্থাপন করেন ফেণী-১ আসনের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের এমপি শিরিন আখতার।

প্রস্তাবে শিরীন আক্তার উল্লেখ করেন ‘সংসদের অভিমত এই যে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে বর্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যাকে স্মরণ করে ২৫শে মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হউক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হউক।’

এরপর ফ্লোর নিয়ে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২৫ মার্চই শুধু নয়। এর পথ ধরেই এ দেশে যে গণহত্যা শুরু হয়েছিল। অনেক সংসদ সদস্য আছেন এখানে যারা যুবক, একাত্তরের সেই ভয়াল চিত্র তারা দেখেননি। এখানে আলোচনা হবে। মাননীয় স্পিকার আপনার অনুমতি নিয়ে আমি ওই সময়কার কিছু ছবি-ভিডিও দেখাতে চাই যেগুলো বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচারিত হয়েছিল। সেগুলো দেখাতে চাইছি।

এরপর স্পিকারের অনুমতির পর সংসদ কক্ষে রাখা বড় পর্দায় একাত্তরে পাকিস্তানির বাহিনী নির্মমতার বিভিন্ন চিত্র, ভিডিও দেখানো হয়। শরনার্থীদের দেশ ত্যাগ, গণহত্যার ছবি দেখানো হয়। সচিত্র প্রতিবেদনের শুরুতে ৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের ছবি দেখানো হয়। প্রতিবেদনে ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও দেখানো হয়।

এসময় আবেগী হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তাকে বারবার চোখ মুছতে দেখা যায়। এমন দৃশ্যে সংসদে নিরবতা নেমে আসে।