ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হাত-পা বেঁধে পুড়িয়ে হত্যা মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রায়ের পর ফেনীর সোনাগাজীর নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের রায়ের প্রতিক্রিয়া জানান নুসরাতের পরিবারের সদস্যরা।
এ সময় নুসরাতের দাদা বয়োবৃদ্ধ মাওলানা মোশাররফ হোসেন জানান, নুসরাত আমার কলিজার ধন ছিল। শরীরের মাংস নিয়ে সে কবরে যেতে পারেনি। মৃত্যুর আগে তার পোড়া যন্ত্রণা সে আর একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ বুঝবে না। সবাই আমাকে বলছে খুনিদের ফাঁসি হয়েছে। আমি খুশি হয়েছি। আমিতো দুনিয়া ছেড়ে চলে যাব। আমার ছেলে, ছেলের বউ ও নাতিদের কে দেখবে?
তার দাদা বলেন, আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছিলাম আজ আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পুলিশ, পিবিআই, সাংবাদিকদের ও বিচারককে ধন্যবাদ জানাই।
নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান বলেন, আপুকে হারিয়ে যতটা কষ্ট পেয়েছি, আজকে এ রায়ের মাধ্যমে কিছুটা লাঘব হয়েছে। আমরা আজকের রায়ে শতভাগ সন্তুষ্ট। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। রায় দ্রুত কার্যকর করে যেন মানুষরূপী হয়েনাদের ফাঁসিতে ঝুলানো হয়।
মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অধ্যক্ষসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামির কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দিতে বলা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এম.কে