নীলফামারী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করণের লক্ষ্যে ভুমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন সংস্থার বিদ্যমান স্থাপনা সমুহ হস্তান্তর বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মাণ কাজ আগামী বছর থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের পর নীলফামারীর সৈয়দপুরের এই বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে নির্মিত হলে উত্তরা লে নুতন দিগন্ত উন্মোচন হবে।
প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কার সাথে আকাশপথে যোগাযোগ তৈরি হবে এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরটি রিজিওনাল হাব হিসেবে ব্যবহৃত হবে। মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর, সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান, দিনাজপুর-০৫ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল এ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর ইসলাম বক্তব্য দেন।
বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সচিব মহিবুল হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময়ে স্বাগত বক্তব্য দেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী। মন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উদ্যোগ নিয়েছেন এলাকার উন্নয়নে এটি তার প্রমাণ। যা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটি একটি কর্মযজ্ঞ। এতে কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না এর আওতায় পড়া মানুষদের ক্ষতিপূরণ প্রদান, সহযোগীতা এবং পুর্ণবাসন করা হবে যথাযথ ভাবে।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার মানুষদের আন্তর্জাতিক মানের সেবা পাওয়ার দ্বার উন্মোচন হবে। সড়ক বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, নেসকোসহ সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ এতে অংশগ্রহণ করেন। নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, আন্তর্জাতিক মানের বিমান বন্দর তৈরি হওয়ার ফলে ৮৫২.৯০৭৮ একর জমির প্রয়োজন হচ্ছে।
বার্তাবাজার/এম.কে