অবশেষে ছাড়া পাচ্ছেন দা উচিয়ে ছাদে থাকা গাছ কাটা সেই নারী। এমন তথ্য জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার ওসি এ.এফ.এম সায়েদ।
ওসি বলেন, ফেইসবুকে আমিও ভিডিওটা দেখেছি। গাছের মালিক ও অভিযুক্ত দুজনেই উভয়ের আত্মীয়-স্বজন। নিজেদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি গাছ কেটেছে সে। অভিযুক্ত নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হবে।
ওই নারী তার গাছের জরিমানা বাবদ অনুরূপ কয়টি গাছ কিনে দিয়েছে। এ ঘটনায় একটি জিডিও হয়েছে। আদালতের অনুমতি চেয়ে প্রসিকিউশন চাওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পরিবেশবাদী মানুষের আঁতে ঘা লাগার মতো একটি ঘটনার জন্ম দেন ঢাকার সাভারের সিআরপি রোডের এক নারী ও তার পরিবারের লোকজন। এই বর্বরতার ভিডিও ও স্থির চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার পরই ভাইরাল হয়ে যায়। দাবি ওঠে বর্বর ঘটনার জন্মদাতা নারীর বিচারের।
ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী দা হাতে অন্য একজনের তৈরি করা ছাদবাগানের সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছেন! গাছের মালিকের আকুতি, কান্না তাকে স্পর্শ করছে না। সঙ্গে আছে তার ছেলে আর সহযোগী দল! এই অমানুষিক ঘটনায় শিউরে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা!
সুমাইয়া হাবিব নামের ভুক্তভোগী ওই নারী ফেসুবকে নিজের গাছের ওপর এমন বর্বর আচরণের ভিডিও-বিবরণ পোস্ট করেন। একপর্যায়ে তাকে দা দিয়ে আঘাত করতে উদ্যত হন ওই নারী।
সুমাইয়া তার পোস্টে লিখেছেন, কখনো কি শুনছেন মানুষ গাছ অপছন্দ করে? গাছ পরিবেশ নষ্ট করে? এই নারীর গাছ পছন্দ না। তার বক্তব্য আমাদের গাছ ছাদের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলছে। তাই এই নারী আমাদের সব গাছ কেটে ফেলছে। কি অপরাধ ছিল গাছের? কি অপরাধ ছিল? কেউ বলতে পারবেন?
এদিকে বুধবার সকালে নিজ বাসা থেকে আটকের পর ওই নারী বলেন, আমি অনুতপ্ত, ভুল করেছি।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি