বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গত পাঁচ মাস ধরে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদই শূন্য। ছয়টি অনুষদের মধ্যে চারটির ডিন পদেও কেউ নেই।
এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে স্থগিত করা হয়েছে ভর্তি পরীক্ষা। দায়িত্বপূর্ণ পদগুলো খালি থাকায় বড় ধরনের প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।
চলতি বছরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানোয় বিক্ষোভ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে, ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য এসএম ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে কটূক্তি করলে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। তোপের মুখে এরপর আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরা হয়নি তার।
গত ২৭শে মে, ইমামুল হকের মেয়াদ শেষ হলে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রেজারার একেএম মাহাবুব হাসান। কিন্তু, গত ৭ই অক্টোবর তার চুক্তির মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। পদধারী কেউ না থাকায় বাধ্য হয়ে স্থগিত করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষা।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, ট্রেজারার, প্রো-ভিসি, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ গুরুত্বপূর্ণ ৬টি পদই শূন্য। নেই ছয় অনুষদের মধ্যে চার অনুষদের ডিন। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য লম্বা ছুটিতে আছেন রেজিস্ট্রার। ভর্তি পরীক্ষার পাশাপাশি বন্ধ নিয়মিত পরীক্ষাও। এ অবস্থায়, বেতন-ভাতা নিয়ে শঙ্কায় আছেন অনেক শিক্ষক।
এদিকে, উপাচার্য পদে নিয়োগের দাবিতে ফের আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। অবশ্য শিগগিরই উপাচার্য নিয়োগ দেয়ার কথা জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. ইউনুস।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি