চট্টগ্রামে গরীবের ডাক্তার হিসেবে খ্যাত ডাক্তার শাহ আলমের প্রধান সন্দেহভাজন খুনি র্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক তারেক আজিজ জানান, বুধবার ভোররাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার উত্তর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় ডাঃ শাহ আলম হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি কালুর সাথে র্যাবের সাথে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং গোলাগুলিতে কালু নিহত হন।
নিহত নজির আহমেদ সুমন ওরফে কালু (২৬) সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডের নতুন পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে। শাহ আলম হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তারকৃত আসামি লেগুনার চালক ঘটনার মূল ‘হোতা’ হিসেবে কালুর নাম বলেছিল বলে জানিয়েছেন র্যাব কর্মকর্তারা।

ঘটনার বিবৃতিতে তারেক আজিজ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতের কাছে দলবল নিয়ে কালু অবস্থান করছে খবর পেয়ে র্যাবের একটি টহল দল সেখানে অভিযানে যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কালু ও তার সহযোগীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। এক পর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে র্যাবও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। গোলাগুলি থামার পর র্যাব ঘটনাস্থল হতে ২টি পিস্তল ও ২১ রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজ ও ৬ রাউন্ডের পিস্তলে গুলি সহ নজির আহমেদ সুমন ওরফে কালুর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সকালে কুমিরা ঘাট ঘর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, উদ্ধার করা লাশটি শাহ আলম (৫৫) নামে এক চিকিৎসকের। যিনি রোগী দেখা শেষে কুমিরা হতে লেগুনা গাড়িতে চড়ে চান্দগাঁওয়ে অবস্থিত নিজ বাসভবনে ফেরার পথে যাত্রীবেশে থাকা ছিনতাইকারীদের হাতে নিহত হন।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস