কুমিল্লার দুই হাজার ১০৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার রয়েছে মাত্র ৩৮৯টি!

শিক্ষা

কুমিল্লার দুই হাজার ১০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার ৭শ’ ১৮টিতেই কোনো শহিদ মিনার নেই। শহিদ মিনার রয়েছে মাত্র ৩৮৯টিতে। এ সব বিদ্যালয়ের বাইরেও রয়েছে অনেক কিন্ডার গার্টেন, আনন্দ স্কুল, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা।

জেলার আদর্শ সদরে বিদ্যালয় ১০৮টি এবং শহীদ মিনার ১৮টি, লাকসামে বিদ্যালয় ৮০টি ও শহীদ মিনার ৫টি, দেবিদ্বারে বিদ্যালয় ১৮৫টি শহিদ মিনার ৯১টি, মুরাদনগরে বিদ্যালয় ২০৩টি এবং শহিদ মিনার ৬৬টি, দাউদকান্দিতে বিদ্যালয় ১৪৯টি এবং শহিদ মিনার ৫টি, চৌদ্দগ্রামে বিদ্যালয় ১৭৫টি এবং শহিদ মিনার ১৫টি, ব্রাহ্মণপাড়ায় বিদ্যালয় ১০৮টি এবং শহিদ মিনার ২০টি, বরুড়ায় বিদ্যালয় ১৫৪টি এবং শহিদ মিনার ৪১টি, বুড়িচংয়ে বিদ্যালয় ১৪৮টি এবং শহিদ মিনার ২০টি, চান্দিনায় বিদ্যালয় ১৩৫টি এবং শহিদ মিনার ২২টি, হোমনায় বিদ্যালয় ৯২টি এবং শহিদ মিনার ১২টি, নাঙ্গলকোটে বিদ্যালয় ১৫০টি এবং শহিদ মিনার ৮টি, মেঘনায় বিদ্যালয় ৬৫টি এবং শহিদ মিনার ৬টি, মনোহরগঞ্জে বিদ্যালয় ১০৪টি এবং শহিদ মিনার ৭টি, তিতাসে বিদ্যালয় ৯২টি এবং শহিদ মিনার ৪০টি ও সদর দক্ষিণে বিদ্যালয় ১৫৩টি এবং শহিদ মিনার ১৩টি।

এ ব্যাপারে সুজন কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর মাসুম বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অধিকার রয়েছে তার ভাষা ও ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে জানার। শিক্ষার্থী যে বিদ্যালয়ে শিক্ষা অর্জন করবে সেখানে শহিদ মিনার থাকা প্রয়োজন।

কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী বলেন, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই। আমরা এ সব বিদ্যালয়ের তালিকা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি।