ঢাকা মহানগরীর ৯৮ শতাংশ হাসপাতাল অগ্নি-ঝুঁকিতে রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের জরিপে এ তথ্য উঠে আসে। বার বার নোটিশ দেয়ার পরও এ ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এ অবস্থায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষেও তা মোকাবেলা করা কঠিন বলে মনে করেন তারা। চিহ্নিত হাসপাতালগুলোতে ঝুঁকিপুর্ণ নোটিশ টানিয়ে দেয়া হবে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।
ঢাকা মহানগরীতে হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা ৪৩৩টি। এর মধ্যে আগুন লাগার ঝুঁকিতে আছে ৪২৩টি হাসপাতাল। সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে মাত্র ১০টি। ফায়ার সার্ভিসের জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
এই ঝুঁকির তালিকায় থাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চলতি বছরের ১৪ ফেব্র“য়ারিতে আগুন লাগে। এরপরও টনক নড়েনি বেশিরভাগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেও পাওয়া যায়নি অগ্নি নির্বাপন সরঞ্জামাদি।
বেসরকারি অনেক হাসপাতাল গড়ে উঠেছে ভাড়া ভবনে। যেগুলো হাসপাতালের উপযোগী নয়, সুযোগ সুবিধাও নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতাল খুবই স্পর্শকাতর জায়গা। সেই জায়গাতেই নেই অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা। হাসপাতালের অনুমোদন দেয়ার আগেই এগুলো নিশ্চিত করা দরকার।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, রাজধানীরে হাসপাতালগুলো পরিদর্শন ও জরিপের পর কয়েকদফা দফা নোটিশ দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এখন সেগুলোতে ঝুকিপূর্ণ ব্যানার টানানো হবে।
এরপরও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এসব হাসপাতাল বন্ধ করে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে বলে জানান তিনি।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি