টপ অর্ডারের ব্যর্থতাই হারের প্রধান কারণ!

ক্রিকেট

উপরের সারির চার উইকেট হারিয়ে ও ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকলে অল আউট হয়েও বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ২৩২ রান। টপ অর্ডারে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম ব্যর্থ, মিডেল অর্ডারে ব্যর্থ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সাব্বির রহমান। সাকিব আল হাসান বিহীন ব্যাটিং অর্ডারে বাকি তিন সিনিয়র রান না করলে হার সেখানেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার কথা, হয়েছেও তাই।

বাংলাদেশের রান এসেছে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে। মোহাম্মদ মিঠুন চাপের মুখে ৯০ বল খেলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেছেন। মেহেদি হাসান মিরাজ ও সাইফউদ্দিনের সাথে জুটি বেঁধে বাংলাদেশকে সম্মানজনক পুঁজি এনে দিয়েছেন।

উপরের সারির ব্যাটসম্যানরা একটু সময় নিয়ে খেললেই হয়তো স্কোরবোর্ডের চেহারা ভিন্ন হতে পারত, ভিন্ন হতে পারত ম্যাচের ফলাফল। প্রতিপক্ষ দলের দুই ওপেনার হেনরি নিকলস ও মারটিন গাপটিল নিউজিল্যান্ড ইনিংসের শুরুতেই ঠিক তাই করেছেন।

‘প্রথম দশ ওভারে চার উইকেট হারালে সেখান থেকে ফিরে আসা খুবই কঠিন। আসলে যেভাবে সবাই বাংলাদেশকে থামিয়ে রেখেছিল, ইনিংসের শুরুতে, সেটাই সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক ছিল,’ ম্যাচ শেষে বলেছেন ১১৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলা গাপটিল।

প্রথম উইকেট জুটিতে ১০৩ রান যোগ করেছেন গাপটিল ও নিকলস। মিরাজের বলে ইনিংসের ২৩তম ওভারে নিকলস আউট হলেও ছন্দপতন হয়নি গাপটিলের। নাগালে থাকা রান রেটে চোখ রেখে খেলে গেছেন ইনিংস শেষ করে আসার লক্ষ্য নিয়ে। কেন উইলিয়ামসনকে মাঝপথে হারালেও উইকেটে পেয়েছেন প্রিয় বন্ধু রস টেইলরকে। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি ও অপরাজিত থেকেই দলের জয় নিশ্চিত করেছেন গাপটিল।

বাংলাদেশ দলের টপ অর্ডারের একজন দীর্ঘ সময় ক্রিজে পড়ে থাকলে হয়তো নিউজিল্যান্ডকে এত সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে হত না।